রামুতে একইদিনে দুই মরদেহ উদ্ধার, অনুসন্ধানে পুলিশ

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় একই দিনে দুইজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপজেলার খুনিয়াপালং ও ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নে পৃথক ঘটনায় এক ব্যক্তি এক রাখাইন তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুটি ঘটনা তদন্তের আওতায় এনে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
খুনিয়াপালং ইউনিয়নের টুংগাঢেবা কালারপাড়া এলাকায় ছৈয়দ হোছন নামে তিন সন্তানের পিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি মৃত মোজাফফরের ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা।
নিহতের ছোট ভাই এনামুল হক অভিযোগ করেন, পরকীয়াজনিত কারণে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানান। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী ও সন্তানদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে সকালে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের হাইটুপি এলাকায় ওয়াইনখিন রাখাইন নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের একজন কর্মী ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, দুটি ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে। উভয় ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





