বগুড়ায় ছাত্রীকে একান্তে দেখা করতে বলে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর মোবাইল ফোনে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠানোর অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ জুলাই) সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, এদিন ছাত্রীর মা আদমদীঘি থানায় মামলাটি করেন।
অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের কড়ই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নশরতপুর ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের ঘোড়াদহ ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, একই মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর কাছে কিছুদিন ধরে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠিয়ে আসছিলেন মাহমুদুল হাসান। বার্তাগুলোর মধ্যে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবও ছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত হয়ে ছাত্রী পরিবারের সদস্যদের জানালে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার সকালে শিক্ষক মাদ্রাসায় গেলে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চান। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরে বিকেলে উত্তেজিত এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় উপস্থিত জনতার কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘোড়াদহ ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রহমতুল্লাহ বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এ ঘটনা ঘটে। মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ছাত্রীর মা করলে মাহমুদুল হাসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।





