‘সুযোগ পেলে প্রতিবন্ধীরাও দেশের জন্য ভূমিকা রাখতে পারে’

প্রতিবন্ধীরাও মানুষ, আর মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। সঠিকভাবে সুযোগ-সুবিধা পেলে প্রতিবন্ধীরাও সমাজে অভাবনীয় ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মধুমতি সেতু সংলগ্ন জাঙ্গালিয়া গ্রামে অবস্থিত অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধীদের সুযোগ দিতে হবে, তাহলে দেশের সার্বিক উন্নয়নে তারাও অভূতপূর্ব অবদান রাখবে। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সরকারের বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে এবং তাদের সমাজের মূল স্রোতধারায় যুক্ত করার নিরলস চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীদের সমাজ বা পরিবারের বোঝা না ভেবে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তারা যেন সারাজীবন বাবা-মায়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে না থাকেন, সে জন্য সরকার তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। এ সময় তিনি বিদ্যালয়টির সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কল্যাণে অত্যন্ত আন্তরিক। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিবন্ধীদের জন্য জাতীয় বাজেটে গত অর্থবছরের তুলনায় এবার বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রতিবন্ধী স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক মো. সুজন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক সাবেক অধ্যক্ষ (অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মতিউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহমেদ, কাজী সালিমা হক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম ইউনুস আলী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ড. এম এম রইস উদ্দিন, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, ধোয়াইল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তারাসহ অনেকেই।
আলোচনা সভা শেষে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত ফগার মেশিন, স্প্রে মেশিন ও সেলাই মেশিন উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করেন।
.png)





