র্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করলেন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা

গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে আলোচিত আওয়ামী লীগ আমলের র্যাবের কথিত গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি। বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শনিবার (১ আগস্ট) তারা উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এম এইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার, তাসমিরুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভিন্নমতাবলম্বী ও সরকারবিরোধী ব্যক্তিদের গোপনে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে এমন বন্দিশালাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ আলামতের অনেকটাই ইতোমধ্যে নষ্ট করা হয়েছে। অবশিষ্ট আলামতও সময়ের সঙ্গে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণেই ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচারপতিরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন।
প্রসিকিউশন আরও জানায়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআইয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কথিত ‘আয়নাঘর’ও পরিদর্শন করবেন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমসংক্রান্ত দুটি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। র্যাবের আয়নাঘরে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জনের বিচার চলছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে সেনানিবাসের বিশেষ কারাগারে রয়েছেন। ব্যারিস্টার আরমানসহ একাধিক ভুক্তভোগী ইতোমধ্যে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এ ছাড়া ডিজিএফআই পরিচালিত কথিত গুমকেন্দ্রের মামলায় শেখ হাসিনাসহ আরও ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
.png)






