শিক্ষার্থী নয়, গলা চেপে ধরার ঘটনায় দু’পক্ষই ছাত্রদলের: আমানউল্লাহ আমান

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একাংশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, আন্দোলনস্থলে একজনকে গলাধাক্কা দিয়ে বা গলা চেপে ধরে সরিয়ে দিচ্ছেন অন্য একজন। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করছেন, আন্দোলনরত কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের কর্মী গলাধাক্কা দিয়েছেন।
তবে আজ (মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ দাবির সত্যতা নাকচ করা হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমানের বরাতে দেয়া ওই বার্তায় দাবি করা হয়, ঘটনাটি কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘটেনি, বরং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ছাত্রদলের এক নেতা তারই এক কর্মীকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছিলেন।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান বিবৃতিতে বলেন, ‘আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। একজন শিক্ষার্থীর গলা চেপে ধরার যে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে ছাত্রদল নেতা একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর গলা চেপে ধরছেন; আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, ওই ঘটনা আন্দোলনে আসা কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘটেনি।’
প্রকৃত ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনে আসা একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর কথার উত্তর ছাত্রদলের একজন কর্মী দিতে গিয়েছিলেন। তখন কেন্দ্রীয় সংসদের একজন নেতা তার অধীনস্থ ইউনিটের ওই কর্মীকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তর্কে যাতে না জড়ায়, সেজন্য নিবৃত্ত করতে তাৎক্ষণিকভাবে কাজটি করেছেন।’
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পতিত ফ্যাসিস্টের দোসর এবং জামায়াত-শিবিরের ‘‘বট’’ পেজ ও আইডি থেকে এ ঘটনা নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।’





