হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০০ রান

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে শুরুটা বাংলাদেশ করলেও শেষটা করেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের। ২৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারানো পর ওয়েসলি মাদেভেরে ও ব্র্যাড ইভান্সের দুটি ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকেরা। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয়েছে জিম্বাবুয়ে। হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশকে করতে হবে ২০০ রান।
টস জিতে আগে বোলিং নেওয়া বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। শরিফুলের বলে বেন কারানের বিদায়টা ছিল অদ্ভুত। নরম হাতে খেলার পর বল ব্যাট ছুঁয়ে ধীরে ধীরে গড়িয়ে স্টাম্পে লাগে। কারান ফিরে গিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলেও তার আগেই বেল পড়ে যায়। ১৩ বলে ২ রান করে ফেরেন তিনি।
ব্রায়ান বেনেটকে ৬ রানে ফেরান তাসকিন। এরপর শরিফুলের বলে ক্রেইগ আরভিন ৫ রানে আউট হলে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ২৭।
সেখান থেকে ইনোসেন্ট কাইয়াকে নিয়ে ইনিংস মেরামত করেন মাদেভেরে। চতুর্থ উইকেটে দুজন যোগ করেন ৫১ রান। ৬৭ বলে ২৫ রান করা কাইয়াকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তাসকিন। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১১ এবং ক্লাইভ মাদান্দে ১ রানে ফিরে গেলে আবারও চাপে পড়ে স্বাগতিকেরা।
এক প্রান্ত ধরে রাখা মাদেভেরে ৭৪ বলে করেন ৭৫ রান। তাঁর ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও একটি ছক্কা। তানভীর ইসলামের বলে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
শেষ দিকে বাংলাদেশের স্বস্তি কেড়ে নেন ইভান্স। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৪৩ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ঠিক ৫০ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসেই দেড় শ পেরিয়ে দুই শ রানের কাছাকাছি পৌঁছায় জিম্বাবুয়ে। শরিফুলের বলে ইভান্স ফেরার পর শেষ ব্যাটার আর্নেস্ট মাসুকুকে আউট করে ইনিংস গুটিয়ে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
বাংলাদেশের সফলতম বোলার শরিফুল ৪৪ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। তাসকিন ৩২ রানে এবং তানভীর ৩৭ রানে নেন ২টি করে উইকেট। সাইফউদ্দিনের শিকার একটি।




