সর্বোচ্চ নেতার হত্যার বদলা নেওয়া হবে: ইরান

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়েছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল আমির হাতামি।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানী তেহরানে গ্র্যান্ড মোসল্লায় আলী খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার ফাঁকে এই মন্তব্য করেন তিনি।
গোটা দেশ যখন শোকে স্তব্ধ। দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতাকে সমাহিত করার অন্তিম মুহূর্তে অবস্থান করছে, ঠিক সেসময় প্রতিশোধ নেওয়ার এই স্পষ্ট ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় বার্তা দিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনায় এই হুঙ্কার কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা, তা বোঝা যাবে খামেনির দাফনকার্য সম্পন্নের পরই।
মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেন, ‘ইরানি জাতির শত্রু, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ও অপরাধী জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার (ইসরায়েল) প্রতি আমর আরও দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছি, শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইয়ের রক্তের প্রতিশোধ আমরা নেব।
আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের আয়োজন তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নবনিযুক্ত প্রধান জেনারেল আহমদ ভাহিদি। শুক্রবার খামেনির কফিনের পাশে তাকে দেখা যায়। গত ৮ ফেব্রুয়ারির পর এটাই ছিল তার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি।
যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আইআরজিসির তৎকালীন প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার পর ভাহিদি দায়িত্ব নেন। এরপর কয়েক মাস তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর আগে তিনি আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন।
আগামীকাল শনিবার সকাল থেকে জনসাধারণের জন্য মরদেহ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় আঞ্চলিক তাপপ্রবাহের কারণে সম্ভাব্য বড় জনসমাগম সামাল দিতে প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আগামী ৮ জুলাই জানাজার মিছিল তেহরান ও কোম হয়ে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ইরাকে প্রবেশ করবে। ৯ জুলাই মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে খামেনির দাফন সম্পন্ন হবে।
সূত্র: সিএনএন




