হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করল এনসিপি

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত ৮টার দিকে অভিযোগটি দাখিল করা হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
প্রতিনিধি দলে নাহিদ ইসলাম ছাড়াও ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতু ও সারোয়ার আলম।
এর আগে বুধবার দুপুর তিনটার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে গাড়িবহর নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন নাহিদ ইসলাম।
বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে এনসিপির গাড়িবহরের গতিরোধ করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারোয়ার আলমসহ নেতাকর্মীদের বাক্বিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে পুলিশ ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে নেতাকর্মীরা পুলিশের বাধা অতিক্রম করে গাড়িবহর নিয়ে সামনে এগিয়ে যান।
এর কিছুক্ষণ পর বাহুবল উপজেলার রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড এলাকায় আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে গাড়িবহর। এ সময় নাহিদ ইসলামসহ নেতাকর্মীরা গাড়ি থেকে নেমে সড়কে অবস্থান নেন।
পরে দীর্ঘ আলোচনার পর পুলিশ এনসিপির নেতাদের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়েরের অনুমতি দেয়। এরপর সেখানে গিয়ে প্রতিনিধি দলটি লিখিত অভিযোগ জমা দেয়।
এদিকে হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহির রুবেল বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।
প্রতিনিধি দলটি অভিযোগটি বুধবার রাতের মধ্যেই এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করার অনুরোধ জানায়। পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে।
.png)






