কেরানীগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৪ নেতাকর্মীর নামে পুলিশের মামলা

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) রাতে ঢাকার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রোববার মামলাটি করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আল হাসান তন্ময়, কেরাণীগঞ্জ মডেল থানা মৎসজীবি লীগের সভাপতি রানা মোল্লা, কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বপ্নিল হাসান কাজল, কেরাণীগঞ্জ মডেল থানা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, জিনজিরা ইউনিয়ন যুবলীগের প্রচার সম্পাদক মো. সাইমন উদ্দিন, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়ামিন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান, বাস্তা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, রিয়াদ হোসেন শাওন, কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক ফজলু রহমান, শুভাঢ্যা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের অন্যতম সদস্য গিয়াস উদ্দিন মাসুদ, ০২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাওন হোসেন ও তেঘরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম।
এজাহারে বলা হয়, গত ৭ জুন ৬ দফা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নাশকতার পরিকল্পনায় একত্রিত হয় আসামিরা। তারা সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও বলা হয়, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ১০টি বাঁশের লাঠি ও ২০টি ভাঙা ইটের টুকরা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তে অন্য আসামিদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি চলছে।
.png)






