পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় প্রকাশ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট ফিরল বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, নওগাঁর মো. মোফাজ্জল হোসেন ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এমন বিষয় বাদে পঞ্চদশ সংশোধনীর বাকি বিষয় সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে বুধবার (৮ জুলাই) শুনানি শেষ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
জামায়াতের পক্ষ থেকে একই রকম আবেদন জানান আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর যে সমস্ত বিষয় মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক সেগুলো বাতিল ও বাকিগুলো সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিৎ। তবে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া ৯৬ ও ১০২ অনুচ্ছেদ বাদে পুরো পঞ্চদশ সংশোধনীই বাতিলের দাবি জানান।
গত বছরের ১৩ নভেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন সর্বোচ্চ আদালত।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীত করাসহ সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।





