সাইফউদ্দিন-রিশাদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল টাইগাররা

শেষ ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের টানা চার ছক্কা। পরে বল হাতে রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসানের ঘূর্ণি। ব্যাটিং-বোলিংয়ের এই দাপটে বুলাওয়েতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্বাগতিকরা ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে গুটিয়ে যায়। তিন ম্যাচের সিরিজে ফিরেছে ১-১ সমতা।
শুক্রবার কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান তোলে বাংলাদেশ। বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১২০ রান।
তানজিদ ৪৪ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় করেন ৫৮ রান। একাধিকবার জীবন পাওয়া সাইফের ব্যাট থেকে আসে ৪৫ বলে ৫৫ রান। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও একটি ছক্কা।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর হঠাৎই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ১৪ বলের মধ্যে ২১ রান যোগ করতেই পাঁচ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ৬, পারভেজ হোসেন ইমন ১ ও নুরুল হাসান সোহান ৪ রান করে ফেরেন।
শেষদিকে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন সাইফউদ্দিন। শেষ ওভারের প্রথম চার বলেই ব্র্যাড ইভান্সকে টানা চারটি ছক্কা মারেন তিনি। ওই ওভার থেকে আসে ২৮ রান। মাত্র ১০ বলে চার ছক্কায় ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফউদ্দিন। তাকে সঙ্গ দেওয়া ইয়াসির আলী ১২ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন।
জবাবে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারে ১৫ রান তুললেও শেষ বলে তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে হারায় স্বাগতিকেরা। এরপর ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স দ্রুত ফিরে গেলে ২১ রানেই তিন উইকেট হারায় তারা।
অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১২ বলে ২৮ রান করে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেন। তাকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের প্রতিরোধ ভাঙেন রিশাদ। পরে মিল্টন শুম্বা ও রায়ান বার্লকেও তুলে নেন এই লেগ স্পিনার। বার্ল করেন ১৯ বলে ২৯ রান।
শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ১৪ বলে ২৫ রান করে ব্যবধান কমালেও জয় নিয়ে কোনো সংশয় তৈরি হয়নি। শেষ ব্যাটার ব্লেসিং মুজারাবানিকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ইতি টানেন রিশাদ।
৩.৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে চার উইকেট নেন রিশাদ। মেহেদী হাসান ২৪ রানে নেন তিনটি। নাহিদ রানা, সাইফ হাসান ও সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট পেয়েছেন।
আগামী রোববার একই মাঠে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ১৮৬/৫, ২০ ওভার। জিম্বাবুয়ে ১৫২, ১৯.৪ ওভার। ফল: বাংলাদেশ ৩৪ রানে জয়ী।
.png)





