গ্রিন কার্ড প্রত্যাশীদের সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) পেতে আবেদন করা অধিকাংশ অভিবাসীকে আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে দেশ ছাড়তে হবে না। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) বরাতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) একটি ঘোষণা দেয়, যা থেকে ধারণা হয়েছিল যে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। কেবল ব্যতিক্রমী কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতে পারে।
তবে শুক্রবার ডিএইচএস জানায়, নীতিমালায় বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, কোনো আবেদনকারীকে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেতে হবে কি না, সেটা নির্ধারণ করেন।
ডিএইচএসের এক মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক নির্দেশনাটি নতুন কোনো বাধ্যবাধকতা নয়, বরং কর্মকর্তাদের হাতে থাকা ক্ষমতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পেতে আবেদন করা অধিকাংশ মানুষই তাদের আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন।
কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবস্থান করা বা অন্যান্য অভিবাসনসংক্রান্ত সমস্যা থাকলে তা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে কারা এ ব্যবস্থার আওতায় পড়তে পারেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়নি ডিএইচএস।
গত সপ্তাহের ঘোষণার পর অভিবাসী সম্প্রদায় ও অভিবাসন অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এমনকি বিভাগটির কিছু কর্মকর্তাও প্রথমে নির্দেশনার প্রকৃত পরিধি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিষয়টিকে অভিবাসন কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন নয়, বরং একটি নিয়মিত প্রশাসনিক বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তবে সর্বশেষ ব্যাখ্যার পরও কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে। কারণ, কোন পরিস্থিতিতে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের আবেদন প্রক্রিয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে, সে বিষয়ে সরকার এখনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।
তবে আপাতত ডিএইচএসের বার্তা হলো, গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অভিবাসী তাদের আবেদন পর্যালোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করতে পারবেন।





