
২০১৩ সালে স্বামী সিরাজুল ইসলাম মারা যাওয়ার সময় ছেলে সাগর হোসেন ও মেয়ে দুজনই সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে আগলে রেখে তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করেন মুন্নি খাতুন। একসময় মা-ছেলের সম্পর্কও ছিল ভালো। কিন্তু সেই সম্পর্ক এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, শেষ বয়সে অসুস্থ মাকে নিজের

যানবাহন ও তীব্র জনবলসংকটে ধুঁকে ধুঁকে চলছে পাবনা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কার্যক্রম। জেলার ৯টি উপজেলা ও ১১টি থানায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা কার্যালয়ের হাতে রয়েছে মাত্র একটি গাড়ি। এ সংকটের কারণে জেলাজুড়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ ও নিয়মিত ঝটিকা অভিযান পরিচালনায় ব্যাপক

পোকা দেখলে অনেকেই বিরক্ত হয়ে দূরে সরিয়ে দেন। অথচ সেই পোকাই এখন পাবনার শিমুল হোসেনের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পের কেন্দ্রবিন্দু। চাকরি ছেড়ে স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় হাঁসের খামার করেছিলেন তিনি। কিন্তু রোগে একের পর এক হাঁস মারা যাওয়ায় কয়েক লাখ টাকা লোকসান হয়। দেনার বোঝায় থমকে যায় তার পথচলা। ঠিক সেই সময় ইউটিউবের

পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে মাটি কাটার অভিযোগে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। তবে অভিযানের পরও বন্ধ হয়নি মাটি কাটা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনে-রাতে বড় ড্রেজার বসিয়ে গভীর করে মাটি কেটে ট্রাকে করে বিভিন্ন ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্

পাবনার শিশু শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি মো. মোস্তফা কামাল (৪০) ও মো. ইয়াছিন আলী (২১) এখন কারাগারে। তবে আসামির মোস্তফার বাড়িতে গত সাত দিন ধরে ভাঙচুর চলছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে শুরু হওয়া এ ভাঙচুর আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত থামেনি। প্রতিদিন সকাল থেকে

পাবনার সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের ১০ বছরের শিশু কামরুন্নাহার কলি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোস্তফা প্রামাণিক রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাগরিবের নামাজের পরই শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় এবং এর প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে তাকে হত্যা

বেড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবনটি পুলিশের ব্যবহারে থাকায় সেখানে স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যাচ্ছে না। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে।

পাবনায় ১ হাজার ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১৬টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। অর্থাৎ জেলার প্রায় ৫৪ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়নকাজ ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ইট–সিমেন্টের প্রচলিত স্কুল ভবনের ধারণা থেকে বেরিয়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে পাঠদানের ব্যতিক্রমী এক মডেল তৈরি করেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার কুমারগাড়া গ্রামের ‘বড়াল বিদ্যানিকেতন’। নদী, গাছপালা আর মুক্ত হাওয়ায় শিশুদের প্রকৃতিনির্ভর শিক্ষায় গড়ে তোলার এই অনন্য উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৪ সালে যুক্

এক হাতে লাঠি, আরেক হাতে সাইকেলের হ্যান্ডেল। একটি পা অকার্যকর হওয়ায় অন্য পায়ের জোরে সাইকেল চালান তিনি। প্রতিদিন এভাবে বেড়া পৌর এলাকার এক মহল্লা থেকে আরেক মহল্লায় ছুটে যান। কোনো শিক্ষার্থীর বাড়িতে এক ঘণ্টা, কোথাও দেড় ঘণ্টা। তারপর আবার সাইকেলে চেপে পরের গন্তব্যে। এভাবে কেটে গেছে চার দশকেরও বেশি

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিএলবাড়ী ইউনিয়নের দেওভোগ-দহপাড়া গ্রামে ১ কোটি ৬ লাখ টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত একটি গার্ডার ব্রিজ (সেতু) কোনো কাজে আসছে না। কাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় বাধ্য বাঁশের সাঁকো দিয়ে সেতুতে উঠতে হয় স্থানীয়দের।