
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শেরপুর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছিল ৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই ৩০টির বেশি ক্যামেরা অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে নজরদারি ব্যবস্থা। প্রায় ছয় মাস ধরে অচল ক্যামেরাগুলোর মধ্যে সচল হয়েছে মাত্র চারটি। বাকিগুলো মেরামতে নেই কোনো উদ্যোগ। এতে চুরি-ছিনতাই ও মাদক কারব

শয্যা বাড়িয়ে ২৫০-তে উন্নীত করা হয়েছে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সক্ষমতা। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ। তবে রোগীর তুলনায় বাড়েনি চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল। ৮৬টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২৯ জন, শূন্য রয়েছে ৫৭টি পদ। একইভাবে অন্যান্য ৬৬টি পদের মধ্যে ৪০টিই শূন্য। জনবল সংকটের সঙ্গে প্রয়ো

আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাতের নানা সুবিধা—সবই আছে। নেই শুধু কার্যক্রম। প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শেরপুরের আধুনিক কসাইখানাটি উদ্বোধন ও হস্তান্তরের পরও পড়ে আছে অচল অবস্থায়। অথচ শহরের বিভিন্ন স্থানে আগের মতোই চলছে পশু জবাই ও মাংস বিক্রি। জানা গেছে,

শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় খাবারের সন্ধানে চলাচল করা বন্যহাতির দল নতুন এক সংকটে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার নেশায় কিছু তথাকথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও উৎসুক মানুষের উত্ত্যক্তে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে বন্যহাতি। এতে যেমন বাড়ছে মানুষ-হাতির সংঘাত, অন্যদিকে বাড়ছে প্রাণহানির ঝুঁকি।

প্রাচীন যুগ থেকে সাপে কাটা রোগীকে সারিয়ে তুলতে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করার গল্প শোনা যায়। সবচেয়ে বেশি প্রচলিত যে পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যায়, তা হলো কবিরাজ বা ওঝার মাধ্যমে ওঝাগিরি করা। তবে ইনডিজিনাস নলেজ (কোনো জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে বিকশিত ও সংরক্ষিত জ্ঞান, দক্ষতা বা দর্শন) ব্যবহার করে অনেক অঞ্চলে সফল চি