
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ‘সেঞ্চুরি কুয়াকাটা মডেল টাউন’ প্রকল্পে ২০১৬ সালে জমির পুরো টাকা পরিশোধ করেন গ্রাহকরা। কিন্তু ১০ বছর পেরিয়ে ২০২৬ সালেও তাদের নির্দিষ্ট কোনো প্লট বুঝিয়ে দেয়নি সেঞ্চুরি গ্রুপ। উল্টো রেজিস্ট্রেশনের নামে সরকারি ফি’র চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া চুক্তির ব

কক্সবাজারের ইনানীতে ৬৫ বিঘা জমির ওপর পাঁচতারকা হোটেল ও লাক্সারি ভিলা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেয়ার বিক্রি করছে ছুটি গ্রুপ। গ্রাহকদের বলা হয়, ‘ছুটি বিচ রিসোর্ট’ নামের এই প্রকল্পে শেয়ার কিনলেই মিলবে মাসিক নিশ্চিত মুনাফা। অথচ বাস্তবে সেখানে প্রতিষ্ঠানটির জমির পরিমাণ মাত্র ৩ দশমিক ৭২ বিঘা। মূল ছ

অভিভাবকের অভাবে সম্প্রচারে আসতে পারছে না একসময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘দিগন্ত টিভি’। ‘সত্য ও সুন্দরের পক্ষে’ স্লোগানে ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সালের ৫ মে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। পরে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতাপশালী কর্মকর্তা হয়ে উঠেছিলেন মো. খুরশীদ আলম। এই কর্মকর্তাকে নিজ বিভাগের মানুষ হিসেবে ব্যাংক লুটের বিশ্বস্ত সহচর হিসেবেই লুফে নেন চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম (এস আলম)। বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থ

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তাদের প্রকল্প হবে ৩০ বিঘা জমির ওপর। অথচ এশিয়া পোস্টের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিরোজপুরের কুয়াকাটায় মাত্র ৬ বিঘা জমিতে হোটেল ও রিসোর্ট নির্মাণের জন্য প্রাথমিক অনুমতি নিয়েছে ‘ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড’। গত ৭ জানুয়ারি কুয়াকাটা পৌরসভা থেকে এ অনুমোদন নেওয়া হয়।

‘আমাদের গল্পের শুরু এক সাগরকন্যাকে ঘিরে…’ এমন মোহনীয় সংলাপ শুনিয়ে ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে ‘ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড’। সাগরকন্যা কুয়াকাটায় নির্মাণ হচ্ছে বিলাসবহুল এই পাঁচ তারকা হোটেল।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে চিহ্নিত হওয়ার পরও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দপ্তরে বহাল রয়েছেন ৯৫ ভুয়া বিসিএস ক্যাডার। চাকরির শর্ত পূরণ না করেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশ ছাড়াই বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ পান তারা। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ‘পিএসসির সুপারিশ ছাড়

অন্তর্বর্তী সরকার বারবার আশ্বস্ত করার পরও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা কাটছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হুঁশিয়ারির পরও নির্বাচনি প্রচারকালীন সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ও সংঘাতে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেছে।