খাগড়াছড়ি-দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি

খাগড়াছড়ি ও দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি জনজীবন। বিভিন্ন এলাকায় পানি কমতে শুরু করলেও দীঘিনালা উপজেলার মেরুং সড়ক এখনও পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ফলে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার সঙ্গে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
এদিকে, মেরুং ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। প্লাবিত এসব গ্রামের বাসিন্দারা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর তীব্র সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে নিরলসভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপিও দুর্গত এলাকায় খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় ত্রাণ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা জানান, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে জেলা পরিষদ থাকবে। পানি নেমে গেলে যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই দুর্যোগ মোকাবিলায় তিনি সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
তবে আবহাওয়া অনুকূলে না এলে এবং নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত হলে বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া প্লাবিত ও পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ পাদদেশে যাতায়াত না করার পরামর্শ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।




