ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১১৫ কেজি ওজনের একটি মূল্যবান কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৩)। এ ঘটনায় প্রত্নবস্তু চোরাচালানের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার (২৯ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩-এর সিপিসি-২ (নীলফামারী ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল হরিপুর উপজেলার ৩ নম্বর বকুয়া ইউনিয়নের কিসমত ভৈষা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মো. হাসান আহম্মদের বসতবাড়ির গোয়ালঘর থেকে কষ্টিপাথরের তৈরি এই বিষ্ণুমূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটির ওজন প্রায় ১১৫ কেজি। এর মাথার অংশের দৈর্ঘ্য ৩২ ইঞ্চি ও প্রস্থ ২২ ইঞ্চি এবং নিচের অংশের দৈর্ঘ্য ১৬ ইঞ্চি ও প্রস্থ ২২ ইঞ্চি। আন্তর্জাতিক বাজারে মূর্তিটির মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় কিসমত ভৈষা গ্রামের মো. হাসান আহম্মেদ (২৬) ও নন্দগাঁও (মুন্সিপাড়া) এলাকার মো. নাজমুলকে (৬৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন, তারা পরস্পরের যোগসাজশে মূল্যবান এই কষ্টিপাথরের মূর্তিটি সংরক্ষণ করে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের পরিকল্পনা করছিলেন।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(খ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মূর্তিসহ জব্দকৃত আলামত এবং আসামিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রত্নসম্পদ ও জাতীয় ঐতিহ্য রক্ষায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।





