মারধর করে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে দিলেন স্বামী

ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক সন্দেহে স্ত্রীকে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দিয়েছেন স্বামী। ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের খেদাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ওই দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে। প্রায় ১০ বছর আগে দম্পতির বিয়ে হয়। সম্প্রতি রাজশাহীর এক যুবকের সঙ্গে ফোনে স্ত্রীর বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক হয়েছে বলে সন্দেহ করেন নির্যাতিতার স্বামী।
এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। গত ২ জুলাই রাতে বিষয়টি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্ত্রীকে মারধর করে তার মাথার চুল কেটে দেন স্বামী।
নির্যাতিত নারী বলেন, রনি নামে একজনের সঙ্গে আমার দুই দিন কথা হয়েছে। আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে আমাকে সন্দেহ করতেন। ঘটনার দিন তিনি আমাকে লাথি, ঘুসি ও কিল মারেন। গলার ওপর পা তুলে জোর করে আমার মাথার চুল কেটে দেন।
নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে নারীর স্বামী বলেন, আমি প্রায় আমার স্ত্রীকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে দেখেছি। ঘটনার দিন স্ত্রীর ফোন থেকে তার সামনে রনি নামে ওই ব্যক্তিকে ফোন দিই। ওপাশ থেকে কল রিসিভ হলেও কোনো কথা বলা হয়নি। পরে আমার স্ত্রী আমাকে সন্দেহ না করে তালাক দিতে বলেন।
এ সময় জানতে চাইলে স্ত্রীকে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





