ঘুমন্ত বাবার গলা কেটে হত্যা, সাত বছর পর ছেলের যাবজ্জীবন

মেহেরপুরে ঘুমন্ত বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যার মামলায় ছেলে মো. সিফাত ফকিরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম কবির এ রায় দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গাংনী উপজেলার নিজ বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রাতের খাবার শেষে মনির উদ্দীন বাড়ির দক্ষিণ দুয়ারী ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তার চিৎকার শুনে স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও পরিবারের সদস্যরা বাইরে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী রোকেয়া বেগম অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে গাংনী থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তে নিহতের ছেলে সিফাত ফকিরের সম্পৃক্ততার তথ্য পান। তদন্ত চলাকালে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।
পরে ২০১৯ সালের ৩০ জুন তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। যদিও শুনানিতে আসামি দাবি করেন, তাকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।






