বন্যার্তদের পুনর্বাসনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সাতকানিয়াসহ পুরো অঞ্চলের বানভাসি মানুষের পাশে সরকার প্রথম দিন থেকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেছেন, পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্বাসনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সাতকানিয়ার বাজালিয়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং ত্রাণ বিতরণ শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সাতকানিয়া একটি বড় উপজেলা। ১৭টি ইউনিয়নের সব জায়গায় হয়তো প্রথম দিন পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পর্যায়ক্রমে আমরা প্রতিটি দুর্গত এলাকায় পৌঁছেছি। প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন। বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে আগামী দিনের সরকারি কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের জন্য তিনি আমাকে সরেজমিনে এখানে পাঠিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি ক্ষুধার্ত, নিরন্ন ও পানিবন্দি মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেব। শুধু খাবার দিয়েই আমাদের দায়িত্ব শেষ হবে না, পানি নেমে যাওয়ার পর বসবাস অনুপযোগী ঘরবাড়ি এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দির সরকারি উদ্যোগে মেরামত করে দেওয়া হবে।
ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং জেলা ও পুলিশ প্রশাসন দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বহু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এই মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে।
এর আগে, সকালে কালিয়াইশ ইকবাল কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনা করে দুর্যোগকালীন সময়ে এই অঞ্চলে বিভিন্ন এনজিওর ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে এনজিও প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমস প্রমুখ।





