হলিউডের সেরা ১০ সিনেমা

মার্কিন সাময়িকী ‘এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি’ অনুযায়ী ২০২৬ এ মুক্তি পাওয়া হরর, থ্রিলার, সায়েন্স ফিকশন, অ্যানিমেশন সব ধরনের জনরা থেকে সেরা সিনেমা হিসেবে উঠে এসেছে হলিউডের ১০ টি আলোচিত ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র।
টুয়েন্টি এইট ইয়ার্স লেটার: দ্য বোন টেম্পল
ড্যানি বয়েলের পূর্ববর্তী কাজের ধারা বজায় রেখে পরিচালক নিয়া ডাকোস্তা এই হরর ঘরানার সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন। জানুয়ারিতে মুক্তি পেলেও এটি বছরের অন্যতম হরর সিনেমা হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।
দ্য ড্রামা
ক্রিস্টোফার বোরগ্লির এই মনস্তাত্ত্বিক ড্রামায় জেনডায়া এবং রবার্ট প্যাটিনসনের অভিনয় দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। বিয়ের আগের একটি চমকপ্রদ ও নৈতিক টানাপোড়েনের গল্প নিয়ে সিনেমাটি তৈরি।
এপিক: এলভিস প্রেসলি ইন কনসার্ট
কিংবদন্তি এলভিস প্রেসলির ১৯৭০-এর দশকের লাস ভেগাস কনসার্টের অদেখা ফুটেজ এবং অডিও রেকর্ডিং নিয়ে বাজ লুরম্যানের নির্মিত একটি চমৎকার ও আবেগঘন পপ-ডকুমেন্টারি।
দ্য ইনভাইট
অলিভিয়া ওয়াইল্ডের পরিচালনায় এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন সেথ রগেন, পেনেলোপে ক্রুজ এবং এডওয়ার্ড নর্টন। প্রতিবেশীদের এক অদ্ভুত ও উত্তেজনাপূর্ণ নৈশভোজের আমন্ত্রণকে কেন্দ্র করে এর গল্প আবর্তিত হয়েছে।
অবসেশন
ইউটিউব থেকে উঠে আসা পরিচালক কারি বার্কারের এই স্বল্প বাজেটের মৌলিক হরর-থ্রিলারটি এ বছর হলিউডে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে ইন্দি নাভারেতের অভিনয় দর্শক-মহলে বেশ প্রশংসিত।
ওমাহা
বাড়ি থেকে উচ্ছেদের শিকার হওয়া এক সিঙ্গেল ফাদারের সন্তানদের নিয়ে রোড ট্রিপের গল্প এটি। জন মাগারো অভিনীত এই সিনেমাটি ভালোবাসা, ত্যাগ ও জীবন সংগ্রামের এক হৃদয়স্পর্শী উপাখ্যান।
প্রজেক্ট হেল মেরি
অ্যান্ডি উইয়ারের সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই স্পেস অ্যাডভেঞ্চারে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন রায়ান গসলিং। ফিল লর্ড এবং ক্রিস্টোফার মিলারের পরিচালনায় ভিনগ্রহের প্রাণীর সাথে বন্ধুত্বের এই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীটি দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।
সেন্ড হেল
খ্যাতনামা পরিচালক স্যাম রাইমির এই ডেজার্ট আইল্যান্ড থ্রিলারে বিমান দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া দুই সহকর্মীর টিকে থাকার লড়াই দেখানো হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন ডিলান ও'ব্রায়েন এবং রেচেল ম্যাকঅ্যাডামস।
দ্য শিপ ডিটেকটিভস
হলিউড তারকা হিউ জ্যাকম্যান অভিনীত এই সিনেমাটিতে গোয়েন্দা গল্পের আদলে এক মেষপালকের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করে তার একদল ভেড়া। আগাথা ক্রিস্টির উপন্যাসের মতো টুইস্ট এবং পারিবারিক বিনোদনের এক দারুণ মিশ্রণ এটি।
টয় স্টোরি ৫
জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তার ৩১ বছরের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় ওপেনিং রেকর্ড গড়েছে। প্রযুক্তির যুগে ট্যাবলেটের স্ক্রিন টাইমের চেয়ে খেলনার সাথে কাটানো বাস্তব খেলার সময় এবং আবেগীয় সম্পর্ক যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই অ্যানিমেশনে।
চলতি বছরের প্রথমার্ধে হলিউড বক্স অফিসে হরর এবং থ্রিলারের দাপট বেশি থাকলেও, গ্রীষ্মকালীন ব্লকবাস্টার হিসেবে অ্যানিমেশন ও সায়েন্স ফিকশন ঘরানার সিনেমাগুলোও দর্শক ও সমালোচকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।





