Advertisement

স্ত্রী মোহনাকে মারধরের মামলায় প্রিন্স মামুন কারাগারে

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
স্ত্রী মোহনাকে মারধরের মামলায় প্রিন্স মামুন কারাগারে
প্রিন্স মামুন। ছবি: সংগৃহীত

এক কোটি টাকা যৌতুক চেয়ে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াউর রহমান এ আবেদন করেন।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় মামলা করেন। মামলার পর তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

এদিন আদালতে তার পক্ষে আইনজীবী জামিন আবেদন করে শুনানি করেন। তবে এ সময় বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মামলা বাদী মোহনা একজন ফ্যাশন মডেল। গত ৫ মাস আগে আসামি মামুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়ে আসছিল। আসামি মামুন বিভিন্ন বয়সের নারীদের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত এবং নেশায় আসক্ত। মোহনা তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করলেই মারধর করে। বিয়ের পর থেকেই তিনি দোকান দেওয়ার জন্য তার কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করলে মোহনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মোহনার বাসায় মামুন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। মোহনাকে তার বাবা-মার বাড়ি থেকে এই টাকা এনে দিতে বলেন। তবে মোহনা অস্বীকৃতি জানালে, তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করাসহ এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে।

মারধরের সময় তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এতে তার বাম চোখের নিচে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়।