বিএসবির খায়রুল বাশারের ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কসের স্বত্বাধিকারী মো. খায়রুল বাশার বাহারের নামে থাকা প্রায় ৩৩ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে এসব সম্পদ কেনা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (১২ জুলাই) সিআইডির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খায়রুল বাশার বাহার ও তার সহযোগীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বল্প খরচে ও দ্রুত সময়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।
এ ঘটনায় গুলশান থানায় দায়ের করা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত-২০১৫) এর ধারায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট গ্রেপ্তার করে।
সিআইডি জানায়, তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে তিনি রাজধানীর ভাটারা এলাকায় বড় স্ত্রীর নামে একটি ফ্ল্যাট, দ্বিতীয় স্ত্রী কানিজ ফাতেমা (ডোনা)-এর নামে শেলটেক বিথীকা প্রকল্পে একটি ফ্ল্যাট, নিজের নামে রাজাবাজার এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট এবং আজিজ সড়কে জি+৭ ও জি+৬ তলাবিশিষ্ট দুটি ভবনসহ নিজের ও প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৩ হাজার ৪৮২ দশমিক ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এসব সম্পদের দলিল মূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।
সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এসব স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নিজেকে শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিলেও খায়রুল বাশার বাহার বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র পরিচালনা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে তদন্তে অভিযোগ উঠে এসেছে।
সিআইডি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান করা হচ্ছে।





