Advertisement

১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগে সারজিসের স্ট্যাটাস

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগে সারজিসের স্ট্যাটাস
এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের নামে ছিনতাইয়ের অভিযোগে তুলে ছাত্রদল নেতার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার ঘটনায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ‘সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি ভাঙচুরের মামলার’ কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

সারজিস আলম লিখেন, ‘আওয়ামী লীগ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি ভাঙচুরের মামলা দিয়েছিল! গতকাল হবিগঞ্জের সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল গউস এমপির নির্দেশে তার পালিত ছাত্রদল আমাদের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের মামলা দিয়েছে! সেই পুরনো অভ্যাস! নিজেদের মতো সবাইকে ভাবলে তো হবে না! বি আ লিটল্ ডিগ্নিফাইড, প্লিজ!’

এদিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ দায়ের করেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন। তিনি বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। যেখানে এনসিপির ১০ নেতার নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জাতীয় নাগরিক কমিটি হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক নূর আলম চৌধুরী, ফখরউদ্দিন জাকি, লাখাই উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী আতা হাই কামাল, কফিল গাজী, হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির সদস্য সচিব মাহবুবুর বারী চৌধুরী, প্রধান সমন্বয়কারী নাহিদ উদ্দিন তারেক এবং আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামালের নাম উল্লেখ করা হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বাদীর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে কোর্ট মসজিদের সামনে অবস্থানকালে এনসিপির নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, লোহার রড ও ইটপাটকেল নিয়ে হামলা চালান। এতে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন এবং তাদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার সময় কয়েকজনের কাছে থাকা পাঁচটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। সংঘর্ষের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা চলে যায়। এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী এবং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত একজন চিকিৎসকের নাম সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।