নাজাফে খামেনির মরদেহ, লাখো জনতার ঢল

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
নাজাফে খামেনির মরদেহ, লাখো জনতার ঢল
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফ শহরে পৌঁছেছে। বুধবার (৮ জুলাই) নাজাফ ও কারবালায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে নাজাফে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছে। শহর দুটিতে শিয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে পবিত্র ধর্মীয় স্থাপনাগুলো অবস্থিত বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

গত শনিবার থেকে খামেনিকে ঘিরে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুরু করেছে ইরান। এর মধ্যে একটি দিন উৎসর্গ করা হয়েছে প্রতিবেশী ইরাককে। শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশের সঙ্গে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের পর নিজেদের শক্তি ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরতেই দীর্ঘ এই শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। ওই হামলার মধ্য দিয়েই যুদ্ধের সূচনা হয়।

ইরানের পবিত্র শহর কোমে বিশাল শোক শোভাযাত্রা শেষে মঙ্গলবার রাতে খামেনির মরদেহ নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। সেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের উপস্থিতিতে ইরাকের কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকরা মরদেহ গ্রহণ করেন।

এ উপলক্ষে বুধবার ইরাকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় নাজাফে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

নাজাফ ও কারবালায় লাখো মানুষের সমাগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন সড়কে খামেনিকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার টাঙানো হয়েছে। ইরানের পতাকার পাশাপাশি নিহত এই নেতার বড় বড় প্রতিকৃতি এবং ইরানের ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্সের’ নিহত অন্য কমান্ডারদের ছবিও শোভা পাচ্ছে।

কারবালার একটি ব্যানারে লেখা হয়েছে, ‘আমরা আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি’। খামেনির আরেকটি ছবিতে সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘যিনি আমেরিকাকে অপদস্থ করেছেন’।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের নিজ শহর মাশহাদে খামেনিকে দাফন করা হবে।