হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন আইন পর্যালোচনা শুরু ইরানে

বিশ্বের অন্যতম সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে একটি নতুন খসড়া আইন পর্যালোচনা শুরু করেছে ইরানের সংসদীয় কমিটিগুলো। হরমুজ প্রণালি নিয়ে পাস হতে যাওয়া নতুন আইনটি বর্তমানে ইরানি মন্ত্রীসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের জ্যেষ্ঠ আইনপ্রনেতাদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি, বিচার বিভাগীয় উপকমিটি, অর্থনৈতিক ও বেসামরিক বিষয়ক উপকমিটিগুলো যৌথভাবে খসড়া আইনটির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে।
যদিও তেহরান এই খসড়া আইনের পূর্ণাঙ্গ বিস্তারিত বিষয়বস্তু এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
তবে এর আগের বক্তব্যে একাধিক ইরানি কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, আইনটির মূল উদ্দেশ হলো হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে এই নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর সুনির্দিষ্ট ফি আরোপ করা।
ইরানি সংসদের ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদ এর আগে জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত নতুন আইন অনুযায়ী ইসরায়েলের মালিকানাধীন কোনা জাহাজকে ‘কখনোই হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে না’।
এ ছাড়া ইরানের দৃষ্টিতে ‘বৈরী ভাবাপন্ন দেশগুলোর’ জাহাজকেও চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। তবে এক্ষেত্রে একটি শর্ত আরোপের কথা উল্লেখ করেন আলি নিকজাদ। বলেন, যুদ্ধের কারণে হওয়া ইরানের ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা ক্ষতিপূরণ দেয়, ততক্ষণ এই বিষয় বিবেচনায় থাকবে।
এর আগে শনিবার (২৫ জুলাই) হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ১২টি খসড়া বিল ইরানের সংসদ ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক কমিটি’র কাছে পাঠিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
.png)






