Advertisement

১২ বছর পর রুয়েটে প্রো-ভিসি নিয়োগ

এশিয়া পোস্ট নিউজ, রুয়েট
১২ বছর পর রুয়েটে প্রো-ভিসি নিয়োগ
ড. মো. আখতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১২ বছর পর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রো-ভিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রো-ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

‎প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসরের নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত—যেটি আগে হবে— প্রো-ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। রুয়েট আইন, ২০০৩-এর ২১(১) ধারা অনুযায়ী আগামী চার বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

‎এতে আরও বলা হয়েছে, তিনি বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। দায়িত্ব পালনের সময় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের ওপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর জনস্বার্থে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‎অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন রুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যায়ল সূত্রটি আরও জানায়, রুয়েটে সর্বশেষ প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মর্ত্তুজা আলী। তিনি ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর প্রো-ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১৪ সালের ১১ অক্টোবর তার চার বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী প্রায় ১২ বছর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রো-ভিসির পদটি শূন্য ছিল। দীর্ঘ এই সময় পর নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগের মাধ্যমে রুয়েটের প্রশাসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা পূরণ হলো।

‎বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন প্রো-ভিসির নেতৃত্বে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আরও গতি আসবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন শূন্য থাকা এ পদে নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও সমন্বিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।