মিশর ম্যাচের রেফারিং নিয়ে মুখ খুললেন লিসান্দ্রো

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
মিশর ম্যাচের রেফারিং নিয়ে মুখ খুললেন লিসান্দ্রো
লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা ও মিশরের শেষ ষোলোর ম্যাচ শেষ হয়েছে তিন দিন আগে। কিন্তু সেই ম্যাচের রেফারিং নিয়ে বিতর্ক এখনো থামেনি। মিশরের অভিযোগের পর এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। তার দাবি, চলতি বিশ্বকাপে রেফারিরা দারুণ কাজ করছেন।

নাটকীয় সেই ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ ১১ মিনিটে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ ব্যবধানে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

তাদের ক্ষোভের কেন্দ্রে ছিল ৬২ মিনিটে মোস্তফা জিকোর বাতিল হওয়া গোল। ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করেন রেফারি। সেটি গোল হিসেবে গণ্য হলে ম্যাচের পরিস্থিতি মিশরের পক্ষে আরও শক্ত হতে পারত। শেষদিকে পেনাল্টির আবেদন নাকচ হওয়া নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল আফ্রিকার দলটি।

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে সেই বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয় লিসান্দ্রোকে। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার অবশ্য রেফারিং নিয়ে কোনো সমস্যা দেখছেন না।

লিসান্দ্রো বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারা দারুণ কাজ করছেন।’

তার মতে, রেফারিং বিতর্ক নিয়ে আলোচনা করা সংবাদমাধ্যমের বিষয়। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মনোযোগ মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার দিকেই রয়েছে।

এর আগে মিশরের অভিযোগের জবাব দিয়েছিলেন ফিফার রেফারিং বিভাগের প্রধান পিয়েরলুইজি কোলিনা। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি জানান, ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে রেফারিদের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

মিশর অধ্যায় পেছনে ফেলে আর্জেন্টিনা এখন সুইজারল্যান্ড ম্যাচে মনোযোগী। লিসান্দ্রো মনে করেন, শেষ আটে ওঠার যোগ্যতা দেখিয়েই এই পর্যায়ে এসেছে ইউরোপের দলটি। কলম্বিয়ার বিপক্ষে সুইসদের ম্যাচও দেখেছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা।

সুইজারল্যান্ডকে শারীরিকভাবে শক্তিশালী এবং সেট পিসে বিপজ্জনক দল হিসেবে বর্ণনা করেছেন লিসান্দ্রো। তার ধারণা, দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চাওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালটি উপভোগ্য হবে।

ক্রিস্তিয়ান রোমেরোও প্রতিপক্ষের চেয়ে আর্জেন্টিনার নিজেদের ভুল সংশোধনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রথম গোল করা এই ডিফেন্ডার জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষ যে-ই হোক, নিজেদের খেলায় কোথায় উন্নতি প্রয়োজন, সেটিই তাদের প্রধান ভাবনা।