
ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নে বসতঘর দখল ও ঘরে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে বাবা ও প্রবাসফেরত ছেলের মধ্যকার পারিবারিক বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। কুয়েত ফেরত বাবা জামাল হোসেন এবং তার সৌদি ফেরত ছেলে নজরুল ইসলাম রাব্বির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে স্থানীয় বা প্রশাসনিক প্রচেষ্টায়ও এই সমস্যার সমাধান মেলেনি। বর্তম

‘ভাটির বাঘ’ ও ‘প্রজাদরদি রাজা’–এমন জনশ্রুত নানা উপাদিতে ভূষিত শমসের গাজী। তিনি ছিলেন একজন শাসক। আরেকটি পরিচয় হলো; তিনি একজন বিপ্লবী। এই উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে বিপ্লব করেছিলেন তিনি। কথিত আছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে তিনি প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তার স্মৃতিবিজড়িত নি

ফেনী জেলাজুড়ে তথাকথিত ‘কোর্ট ম্যারেজ’ বা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামা (অ্যাফিডেভিট) করে বিয়ের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আইনি বাধ্যবাধকতা ও সামাজিক সম্মতি উপেক্ষা করে একশ্রেণির অসাধু চক্রের সহায়তায় বয়সের তথ্য গোপন করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে ফেনীতে অব্যাহতভাবে বাড়ছে বাল্যবিয়ে। শ

ফেনীতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসেই জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচশ ছাড়িয়েছে, যার অর্ধেকেরও বেশি শনাক্ত হয়েছে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মাত্র ২০ দিনে। অপর দিকে গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন

বাজারের প্রক্রিয়াজাত বাণিজ্যিক ফিডের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজ হাতে প্রস্তুতকৃত সুষম খাদ্যে মাছ চাষ করে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছেন ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মাছচাষি আবুল কালাম কালা। খাদ্যের খরচ নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি গুণগত মান নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ মাছ উৎপাদনে তিনি এলাকায় নতুন সম্ভাবন

কাগজে-কলমে জমির সব বৈধ দলিল ও খতিয়ান আছে, কিন্তু সীমান্তে গিয়ে নিজস্ব পৈতৃক ভিটেমাটিতে পা রাখাতে পারছেন না শত শত বাংলাদেশি কৃষক। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর দীর্ঘ ৭৯ বছর পার হলেও ফেনীর পরশুরাম সীমান্তে মুহুরি নদীর বুক চিরে জেগে ওঠা চরের ভূখণ্ডের হিসাব মেলেনি। সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ফেনীর পরশুরাম সীমান্ত

ফেনী পৌরসভায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকলেও নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে পৌরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কারও কর বেড়েছে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ৩৫ গুণ পর্যন্ত। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির পাশাপাশি সম্প্রতি পৌরস

ফেনীতে অজ্ঞাতপরিচয়ের মরদেহ দাফন ও ব্যবস্থাপনায় চরম অবহেলা এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। বেওয়ারিশ মরদেহ বহনে অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে পৌরসভার ময়লা ফেলার গাড়ি। একই সঙ্গে ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী গোসল ও জানাজার তোয়াক্কা না করেই সম্পন্ন করা হচ্ছে দাফন। অনুসন্ধানে জানা যায়, ফেনী

একাই সাঁকো বানিয়ে জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমেছেন ফেনীর পরশুরামের চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা নোয়াপুর সীমান্ত এলাকার যুবক সুজন। ওই এলাকার সামছুল হুদার ছেলে সুজন পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (টমটম) চালক। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন এই বাহনটি চালিয়ে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ভরণপোষণ চা

প্রবাসী অধ্যুষিত জেলা হিসেবে সারাদেশে সুপরিচিত ফেনী। এ জনপদের প্রায় প্রতিটি ঘরেই রয়েছেন প্রবাসী সদস্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে—কর্মরত রয়েছেন বিপুল পরিমাণ ফেনীবাসী। প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন তারা। রেমিট্যান্স অর্জনে জেলাভ

ফেনী জেলার ৫৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩২৮টি প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও পাঠদানের মূল চালিকাশক্তি—এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দীর্ঘদিন স্থায়ী নিয়োগ না থাকায় জেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা একই সঙ্গে শ্রেণিকক

গ্যাস-সংকটের প্রভাবে ফেনীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া বেড়েছে। অন্য সময়ের চেয়ে দুই থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এতে দৈনন্দিন কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ ও অফিসগামী যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ে চালকদের সঙ্গে যাত্রীদের কথা কাটাকাটির ঘটনাও ঘটছে। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট

ফেনী জেলাজুড়ে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন ও লাইসেন্সবিহীন ওষুধের দোকান। যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব ফার্মেসির কারণে একদিকে বৈধ ব্যবসায়ীরা যেমন লোকসানের মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধের অবাধ বিক্রিতে চরম হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর

ফেনীর অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপীঠ মহিপাল সরকারি কলেজের খেলার মাঠে স্থায়ী জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সামান্য বৃষ্টিতেই প্রায় দুই একরের মাঠটি পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বছরজুড়েই জমে থাকে পানি, যা এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে।

চলমান বর্ষায় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে ফেনীর নদ-নদীগুলোতে ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে ছোট ফেনী, মুহুরী, সিলোনিয়া ও কালীদাস পাহালিয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের কবলে পড়ে হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নদীতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদ, ভেঙে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠা

ফেনীর মানুষকে এখনো তাড়া করে ফিরছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বন্যার ভয়াবহ স্মৃতি। সেই দুর্যোগের ক্ষত এখনো পুরোপুরি শুকায়নি; ঘরবাড়ি, ফসলি জমি আর অবকাঠামোর ক্ষতি কাটিয়ে যখন সাধারণ মানুষ একটু একটু করে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই ফের বন্যা আতঙ্ক ভর করেছে।