জেলা প্রতিনিধি

এক সময়ের প্রাণচঞ্চল শ্রেণিকক্ষগুলোতে এখন যেন এক নিঝুম নীরবতা। সকাল হলেই নীলফামারীর শহর ও গ্রামের রাস্তাগুলোতে বই-খাতা হাতে শিশুদের যে দৌড়ঝাঁপ দেখা যেত, তা আজ ম্লান হতে বসেছে। নীলফামারীর শিক্ষা ব্যবস্থায় এখন এক বিপরীত চিত্র। সরকারি নথিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সন্তোষজনক হলেও বাস্তবে জেলাজুড়ে অনেক স্কুলের

একসময় যে জমিতে চাষ করতেন শসা, সেই জমিতেই এবার মাচাং পদ্ধতিতে ফলিয়েছেন রঙিন তরমুজ। নতুন ফসল, নতুন অভিজ্ঞতা সঙ্গে ছিল লোকসানের ভয় আর মানুষের নানা কথা। তবু দমে যাননি নীলফামারী সদর উপজেলার কৃষক ওমর আলী। পরিচিত এক ব্যবসায়ীর পরামর্শে শুরু করেন রঙিন তরমুজের চাষ। তিন বিঘার বেশি জমিতে এখন তার প্রায় ছয় হাজার


‘অভাবের সংসারে কত কষ্ট করে পড়াশোনা করাইছি। আল্লাহ জানে কেন এমন হইলো আমার ছাওয়ালটার সাথে। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করার পরে একটা চাকরিত বলে টেকিছে। এখন শুনেছি আমার ছাওয়ালটাকে নাকি বাদ দিয়েছে। কেন বারে আমার বাবাটার কী দোষ, কেন আমার ছাওয়াটাকে বাদ দিলেন।’ এভাবেই চোখের কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন ৪৯তম ব

‘মোর ছাওয়াটা কোইল, এবার টাকা আনি ঘরটা নতুন করি ঠিক কোরিম।’ অর্থাৎ আমার ছেলেটা বলেছিল, এবার টাকা এনে ঘরটা নতুন করে ঠিক করব। আর্তনাদ করে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকার বারিধারায় গাড়িচাপায় প্রাণ হারানো মেহেদী হাসান মিমের মা। দুই দিন আগে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রাম ঢাকায় এসেছিলেন

নীলফামারীর তিন লাখের বেশি মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল ৫০ শয্যার ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। অথচ জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালে দৈনন্দিন চিকিৎসাসেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালটিতে অনুমোদিত চিকিৎসক পদ ৩৩টি। এর বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৭ জন। কিন্তু তাদের মধ্যে চারজন দীর্ঘদিন ধরে প্রেষণে অন্যত্র দায়িত্