ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালু, আবেদন যেভাবে

ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম ফের চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগের নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করে ভোটাররা তাদের ভোটার এলাকা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। একই সঙ্গে পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবারও।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে সই করেছেন ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী।
ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তর সংক্রান্ত আবেদন গত ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য ২ সেপ্টেম্বর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে স্থানীয় নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় মাঠপর্যায়ের কার্যালয়ে ভোটার স্থানান্তর পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই, ইস্যু ও নিষ্পত্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
সরাসরি আবেদনের নিয়ম
আবেদনকারীরা মাঠপর্যায়ের ‘উপজেলা বা থানা অফিস’ এবং ‘রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়ে’ সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। ফলে আগের নিয়মে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দিতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে। যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী স্থানান্তরের আবেদন নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য আপডেট বা ইস্যু করা হবে।
আবেদন করা যাবে অনলাইনেও
সরাসরি আবেদনের পাশাপাশি অনলাইনেও ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করা যাবে। ভোটার স্থানান্তরের অনলাইন লিংক সচল বা চালু করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজারকে (কারিগরি) অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অনলাইন সেবা সচল হওয়ার পর আবেদনকারীরা অনলাইমের মাধ্যমেও ভোটার এলাকা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে। যাচাই-বাছাই শেষে আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভোটার সংক্রান্ত তথ্য আপডেট বা ইস্যু করা হবে।
