নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ইলেকট্রিক কার হস্তান্তর

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশবান্ধব দুটি ইলেকট্রিক কার (ই-কার) হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শেডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে ই-কার দুটির চাবি হস্তান্তর করেন।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, নোবিপ্রবিতে পরিবেশবান্ধব ই-কার সংযোজন বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন ও আধুনিক ক্যাম্পাস ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি বলেন, ই-কারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সংযোজন, যা শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। এতে তাদের সময় ও শ্রম দুটোই সাশ্রয় হবে।
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিগগিরই শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ই-কারগুলো উন্মুক্ত করবে। এসব ই-কার ক্যাম্পাসে কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবেই ই-কার সংযোজন করা হয়েছে। এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ই-কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান, নোবিপ্রবি পরিবহন পুলের প্রশাসক ড. মো. মফিজুর রহমান, গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়েদুল হক, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবাবিল গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকরা।
উল্লেখ্য, ই-কার থেকে কোনো কার্বন নিঃসরণ হয় না। বর্তমানে এটি বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চালানোর সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটিকে নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করছে।





