ঢাবি ক্যাম্পাসে জুলাই গ্রাফিতি সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু ১ আগস্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতিসমূহ সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গ্রাফিতির মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা ও তাৎপর্য অক্ষুণ্ন রেখে আগামী ১ আগস্ট থেকে পুনরায় রংকরণ ও পুনর্লিখন কার্যক্রম করা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গ্রাফিতির মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা ও তাৎপর্য অক্ষুন্ন রেখে আগামী ১, ২ ও ৩ আগস্ট উপাচার্য ভবন থেকে রোকেয়া হল পর্যন্ত গ্রাফিতি রংকরণ/পুনর্লিখন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। গ্রাফিতি রংকরণ/পুনর্লিখন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য আগামী ১ আগস্ট সকাল ৯টার মধ্যে চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারির সামনে উপস্থিত থাকার জন্য নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ও শিল্পীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে প্রাচ্যকলা বিভাগের খন্ডকালীন শিক্ষক গাজী মো. জহিরুল ইসলাম টিটোর সঙ্গে (০১৭৬৩২৪৪৫৬৭) যোগাযোগের জন্য বলা হয়েছে।
বর্তমানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবিতে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে রোববার শামসুন নাহার হলে গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক কুইজ, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও স্মৃতিচারণামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশকে বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে হল সংসদের ভিপি কুররাতুল আইন কানিজ ও জিএস সামিয়া মাসুদ মম বক্তব্য রাখেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নিয়ন মনি, সীমা আক্তার ও আশা তালুকদার স্মৃতিচারণ করেন। ইরাতফা বিনতে রেদওয়ান ও জারিন তাসনিম বিপা কবিতা আবৃত্তি করেন। নওশিন তাসনিম বাঁধন নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সামিয়া মাসুদ মম ও জারিন তাসনিম বিপা। এ সময় হলের আবাসিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
.png)






