Advertisement

রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

এশিয়া পোস্ট নিউজ, রাবি
রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা
রাকসু জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দীন আম্মারসহ নয়জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টার মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও ১৭-১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর মতিহার আমলি আদালতে মাহিনের বাবা এম এস আসাদ উজ জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতর ও বাইরে এ ঘটনা ঘটে। সে সময় মাহিন গ্রন্থাগারে অধ্যয়নরত ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ১৯-২০ জন তাকে ঘিরে ধরে হামলা চালান।

এজাহারে বলা হয়েছে, ১ নম্বর আসামি সালাহউদ্দীন আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথা ও কপালে একাধিক আঘাত করেন। ২ নম্বর আসামি সালমান সাব্বিরের আঘাতে তার বাম চোখে গুরুতর জখম হয়। ৩ নম্বর আসামি নাজমুস সাকিবের আঘাতে তার বুকের হাড় ভেঙে যায় এবং ৪ নম্বর আসামি মেহেদী সজীব তার পিঠে আঘাত করেন। এ ছাড়া কয়েকজন আসামি বাঁশের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, হামলার একপর্যায়ে মাহিন মাটিতে পড়ে গেলে কয়েকজন তার বুক ও গলার ওপর উঠে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে উপস্থিত ব্যক্তিরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলে আসামিরা তাকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আবারও মারধর করেন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার পরদিন ২৮ জুলাই বাদী মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আদালতের মাধ্যমে মামলাটি করা হয়।

মামলার নামীয় আসামিরা হলেন সালাহউদ্দীন আম্মার, সালমান সাব্বির, নাজমুস সাকিব, মেহেদী সজীব, ফাহিম রেজা, আরিফুল ইসলাম, আহসান উল্লা ফারহান, সিফাত আবু সালেহ ও নূরুল ইসলাম শহীদ। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৭-১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হযরত আলী বলেন, আদালত তাৎক্ষণিকভাবে মামলাটি আমলে নেননি। তদন্তের জন্য মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে পাঠানো হয়েছে।