বন্যায় তলিয়ে গেছে মুবাছড়ির একমাত্র সড়ক, দুর্ভোগে প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় খাগড়াছড়ির মহালছড়ির মুবাছড়ি ইউনিয়নের একমাত্র সংযোগ সড়কের একটি অংশ ভেঙে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলা সদর ও জেলা শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ২০ গ্রামের মানুষের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় যাতায়াতের জন্য নৌকা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে। এদিকে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় পরিবহন শ্রমিকরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা অংচাইনু মারমা বলেন, ‘এই রাস্তাটিই আমাদের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। পাঁচ দিন আগে বন্যার তোড়ে রাস্তাটি ভেঙে যায়। এতে হাটবাজারে যেতে ও কৃষিপণ্য বিক্রি করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি মেরামত করা প্রয়োজন।’
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পি চাকমা বলেন, ‘অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আমাদের। নৌকায় পার হয়ে অন্য যানবাহনে উঠতে হচ্ছে। এতে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। দ্রুত এই রাস্তাটির কাজ করা দরকার।’
পরিবহন শ্রমিক মো. মিজান বলেন, ‘সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি নিয়ে চলাচল করতে পারছি না। যাত্রীও কমে গেছে। প্রতিদিন আয় কমে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার রহমান বলেন, ‘সাম্প্রতিক বন্যায় জেলায় প্রায় ২৫টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে মুবাছড়ি ইউনিয়নের এই সড়কটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত ব্রিজ (সেতু) নির্মাণের কাজ শুরুর চেষ্টা করছি। পাশাপাশি মানুষের চলাচলের জন্য পাশে একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের চেষ্টা চলছে।’
বিষয়টি এর মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান আনোয়ার রহমান।




