হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের ফিরিয়ে দিল বান্দরবান পুলিশ

হারিয়ে যাওয়া ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছবান্দরবান সদর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বান্দরবান সদর থানায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে মোবাইল ফিরে পাওয়া ব্যক্তিরা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন পর নিজের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে হ্লা এ সা বলেন, আমার মোবাইলটি হারিয়ে যাওয়ার পর পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু বান্দরবান সদর থানা পুলিশ সেটি উদ্ধার করে আজ আমার হাতে তুলে দিয়েছে। প্রায় এক বছর পর নিজের মোবাইল ফিরে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। এজন্য বান্দরবান সদর থানা পুলিশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
আরেক মোবাইল গ্রাহক মুয়িত উদ্দীন মোল্লা বলেন, আমার বাড়ি ফরিদপুর। আমার মোবাইলটি ঢাকায় হারিয়ে গিয়েছিল। পরে বান্দরবান সদর থানা পুলিশের মাধ্যমে সেটি উদ্ধার হয়েছে। আজ মোবাইলটি হাতে পেয়ে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। পুলিশের এই আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
বান্দরবান সদর থানার সাব-ইনস্পেক্টর মো. মনির হোসাইন এশিয়া পোস্ট জানান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ পারভেজের সার্বিক দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় মোবাইলগুলো বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো শনাক্ত করে প্রকৃত মালিকদের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছি। আজ ১০টি মোবাইল তাদের মালিকদের হাতে তুলে দিতে পেরে আমাদেরও ভালো লাগছে।
বান্দরবান সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ পারভেজ এশিয়া পোস্টকে বলেন, সাব-ইনস্পেক্টর মো. মনির হোসাইন অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হারিয়ে যাওয়া মোবাইলগুলো উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তার এই নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তির মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বিষয়টি গোপন না রেখে দ্রুত নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন। পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে।
অনুষ্ঠান শেষে উদ্ধার হওয়া ১০টি মোবাইল ফোন সংশ্লিষ্ট মালিকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। মোবাইল ফিরে পেয়ে গ্রাহকদের মুখে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে।




