আন্দোলনের পরদিন এইচএসসি পরীক্ষায় বিশাল অনুপস্থিতি

চলমান আন্দোলনের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের সপ্তম দিনের পরীক্ষায় শিক্ষার্থী অনুপস্থিতির সংখ্যা বেড়েছে। সারা দেশে মোট ২০ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।
এর আগে বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে অনুষ্ঠিত ১৩ জুলাইয়ের প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা (১৯ হাজার ৫৯২) আজকের চেয়ে কম ছিল।
বুধবার (১৫ জুলাই) এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
আজ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র ও হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আরবি দ্বিতীয় পত্র, কারিগরি বোর্ডে ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২, উচ্চতর গণিত-২ ও উচ্চতর হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
এসব পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেয় ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। এতে অনুপস্থিত ছিল ১২ হাজার ১০১ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ৬৮ হাজার ৪৬১ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রে উপস্থিত ছিল ৬৩ হাজার ৬০৬ জন। এই বোর্ডে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি ৪ হাজার ৮৫৫ জন শিক্ষার্থী।
এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ৮০ হাজার ৩০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ২০৮ জন। এই বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি ৩ হাজার ৯৬ পরীক্ষার্থী।
এদিকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে আটটি সাধারণ বোর্ডে ১০ জন ও মাদ্রাসা বোর্ডে পাঁচজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে কেউ বহিষ্কার হয়নি।
এদিকে বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
দেশের বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে অনুষ্ঠিত ১৩ জুলাইয়ের প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৫৯২। এদিনের পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নে দুটি সৃজনশীল ভুল থাকায় তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীর শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা স্থগিতসহ তিন দাবিতে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিনভর আন্দোলন করে।
আজ বুধবারও পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে তারা সচিবালয়ের উদ্দেশে লং মার্চ শুরু করেছে। এখন সেখান অবস্থান করে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে।





