আজানের পর যে দোয়া পড়তে বলেছেন মহানবী (সা.)

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
আজানের পর যে দোয়া পড়তে বলেছেন মহানবী (সা.)
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাজে যোগ দেওয়ার জন্য আজান দেওয়া হয়। আজানের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানদের নামাজ আদায় করতে আহ্বান করা হয়। আজান শোনার পর দোয়া পড়া মুস্তাহাব। এতে সওয়াব পাওয়া যায়। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শাফায়াত বা সুপারিশ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করা যায়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা যখন আজান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে, তোমরা তাই বলে আজানের জবাব দেবে। এরপর আমার ওপর দরুদ পড়বে। কেননা যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পড়ে, আল্লাহ তার ওপর দশটি রহমত নাজিল করেন। এরপর তোমরা আমার জন্য ওয়াসিলার (মাধ্যম) দোয়া করবে। কেননা জান্নাতে এমন একটি জায়গা আছে, যা আল্লাহর এক বিশেষ বান্দা লাভ করবে। আমি আশাবাদী, আমি হব সেই বান্দা। অতএব যে আমার জন্য ওয়াসিলার দোয়া করবে, তার জন্য আমার শাফায়াত (সুপারিশ) আবশ্যক হবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩৮৪)

আজানের জবাব শেষে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ শরিফ পড়ে নিচের দোয়াটি পড়তে হবে—

اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ إنك لا تخلف الميعاد

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাহ, ওয়াস সালাতিল কয়িমাতি, আতি মুহাম্মাদান আল ওয়া সিলাতা ওয়াল ফাজিলাতা, ওয়াব আসহু মাকামাম মাহমুদা নিল্লাজি ওয়া আদতাহু। ইন্নাকা লা তুখলিফুল মিআদ।

অর্থ: হে আল্লাহ, এই পরিপূর্ণ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত নামাজের প্রতিপালক তুমিই। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে দান করো ওয়াসিলা (সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান) ও সুমহান মর্যাদা। তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়ছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করো না।