প্রতারণার মামলায়ও তৌহিদ আফ্রিদির জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

প্রতারণার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ঢাকার ওয়ারী থানায় করা মামলায়ও জামিন পেয়েছেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ তৌহিদ আফ্রিদি। সব মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে তৌহিদ আফ্রিদির পক্ষে তার আইনজীবী ইকবাল মাহমুদ শোভন জামিন চেয়ে শুনানি করেন।
শুনানি নিয়ে আদালত তার জামিনের আদেশ দেয় জানিয়ে ইকবাল মাহমুদ শোভন বলেন, ‘তৌহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়। দুই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে আগেই জামিন পেয়েছে। আজ ওয়ারী থানার মামলায় জামিন পেল। তিন মামলায় জামিনের আদেশ হওয়ায় তার কারামুক্তিতে বাধা নেই।’
গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি পুলিশ। এরপর তাকে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গেল ১১ জুন তৌহিদ আফ্রিদিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহফুজুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুন তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতি গেল বছরের ১৩ জানুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং কাজের অফার পান। ফাতেমা ঐশী পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি দ্যুতিকে গুগলে রিভিউ দিতে বলে এবং কাজের জন্য টেলিগ্রাম অ্যাপ খুলতে বলে। পরদিন কাজের জন্য দ্যুতিকে ৩০০ টাকা পাঠানো হয়। লিসা নামে এক ব্যক্তি পরদিন তাকে টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করে। সেখানে অন্য সদস্যরা টাকা পাঠানোর পর মুনাফাসহ আসল ফেরত পেলে স্ক্রিনশর্ট দিত। তাদের দেখে আশ্বাস পেয়ে দ্যুতি লিসার বিকাশ নাম্বারে দুই হাজার টাকা পাঠান। সেদিনই তিনি আসলসহ ২৮০০ টাকা ফেরত পান।
গত বছরের ১৫ জানুয়ারি তাকে ৫ হাজার ৩০০ টাকা পাঠানো হয়। আরও কাজ শেখার জন্য তাকে আরেকটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হতে বলা হয়। বিশ্বস্ততা অর্জন করে তার কাছ থেকে সর্বমোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা প্রতারণা করে আত্মসাৎ করা হয়। ওই ঘটনায় সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতি অজ্ঞাতনামে আসামি করে গত বছরের জানুয়ারি মাসে ওয়ারী থানায় মামলা করেন।
.png)






