-8ba2ae-256x144.webp)

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের বিষয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) এ বিষয়ে দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ১৫ পাতার ওই রায়ে গ

জমি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর অনেকের মনেই প্রথমে আসে দাম, জায়গা আর রেজিস্ট্রির হিসাব। কিন্তু কাগজে স্বাক্ষর করার পরও যে গল্পের শেষ হয় না, বরং সেখান থেকেই শুরু হতে পারে মালিকানা নিয়ে নানা প্রশ্ন। একটি দলিলের ছোট্ট ভুল, পুরোনো কোনো রেকর্ডের অসঙ্গতি কিংবা একই জমি নিয়ে আগের কোনো লেনদেন ভবিষ্যতে বড় জটিলত

ভূমির মালিকানা, খাজনা আদায়, খাসজমি বন্দোবস্ত, নামজারি কিংবা অর্পিত সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা সবকিছুর সঙ্গেই সরাসরি যুক্ত ভূমি প্রশাসন। দীর্ঘ সময় পরপর জরিপের মাধ্যমে তৈরি হওয়া খতিয়ানকে ভিত্তি করেই পরিচালিত হয় ভূমি ব্যবস্থাপনার বড় একটি অংশ। কিন্তু জরিপের পর মালিকানা পরিবর্তন, জমি হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, আ

বৈপিত্রেয় বোন হলো যাদের মা এক কিন্তু বাবা ভিন্ন। মৃত ভাইয়ের সম্পত্তি থেকে তারা অংশ পাবে কি না, কোন অবস্থায় কতটুকু অংশ পাবে, তা অনেকেরই জানা নেই। ফলে সম্পত্তি থেকে তাদের অনেক সময় বঞ্চিত করা হয়। এ নিয়ে কখনও সম্পর্কও ছিন্ন হয়। বাঁধে ঝগড়াও। তাই ইসলামি বিধান অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টনের মাসয়ালাগুলো জানা প্রয়
-fa9693-256x144.webp)
জীবিকার তাগিদে শত শত ক্রোশ দূরে প্রবাসী জীবন কাটালেও বাংলাদেশিদের নাড়ির টান থাকে প্রিয় স্বদেশের মাটিতে। প্রবাসে অর্জিত কষ্টের উপার্জনে কেনা সম্পত্তি কিংবা পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জায়গা-জমি দেখাশোনা, কেনাবেচা এবং বিভিন্ন আইনি সুরক্ষা নিয়ে প্রায়শই দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের।

স্থাবর সম্পত্তি বা জমি-জমা কেনাবেচা, দান কিংবা স্বত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দলিল হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি ভিত্তি। আমাদের দেশে অগণিত মানুষ জমিজমা সংক্রান্ত সঠিক তথ্যের অভাব ও আইনি জটিলতার কারণে প্রতিনিয়ত নানা ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হন।