আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে হামলা করেছে জামায়াতের লোক, দাবি আহত সাংবাদিকের

এশিয়া পোস্ট নিউজ
আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে হামলা করেছে জামায়াতের লোক, দাবি আহত সাংবাদিকের
জামায়াতকর্মীদের হামলায় আহত গণমাধ্যমকর্মী মাহফুজুর রহমান শিশির। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি জোনের উদ্যোগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় আওয়ামী লীগবিরোধী একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল পরবর্তী বিফ্রিংয়ের সময় জামায়াতকর্মীদের হামলায় একজন গণমাধ্যমকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সিগন্যাল থেকে শুরু হয়ে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর মোড় ঘুরে একই এলাকায় এসে শেষ হয়। মিছিলে ধানমন্ডি থানা জামায়াতের আমির মুস্তাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, কর্মপরিষদ সদস্য আনিসুজ্জামান, কলাবাগান থানা জামায়াতের আমির জাহিনুর রহমানসহ অন্য নেতারা অংশ নেন।

জানা গেছে, মিছিল শেষে ব্রিফিং চলাকালে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ‘দৈনিক সকাল’-এর প্রতিবেদক মাহফুজুর রহমান শিশির আহত হন।

আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনারা জামায়াতে ইসলামীকে বিরোধী দল আখ্যা দেন, আপনারা বলেন স্বাধীন গণমাধ্যম... স্বাধীন গণমাধ্যম কি কলার ধরা? আমি দেশবাসী ও এই জাতির কাছে বললাম, এই জামায়াতে ইসলামীর লোকেরা আমার কলার ধরে আমার গেঞ্জি ছিঁড়ে ফেলেছে।’

ঘটনার সূত্রপাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হাজারীবাগ থানার জামায়াত আমির বলছিলেন- যারা (নিউজ) নিতে পারবেন না, তারা চলে যান। আমি ওনাকে প্রশ্ন করেছি, আমি তো আপনাদের কর্মী না, আমরা কেন চলে যাব? আপনি এ ধরনের কথা গণমাধ্যমকর্মীদের বলতে পারেন কি না? এর প্রেক্ষিতে তার সাথে থাকা একজন আমার ওপর চড়াও হয়। আমার ফোনে এই পুরো ঘটনার ভিডিও রেকর্ড আছে।’

হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শিশির বলেন, আমি এই ঘটনায় ধিক্কার জানাচ্ছি, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এদের কত বড় ধৃষ্টতা যে গণমাধ্যমকর্মীদের কলার ধরে এবং আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে তারা এভাবে হামলা চালায়।

তবে, সাংবাদিকদের ওপর হামলার এই ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে দাবি করেছেন ধানমন্ডি থানা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য মুজিবুর রহমান খান। তিনি বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। আমাদের কর্মসূচির মধ্যে বহিরাগত কেউ ঢুকে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।