Advertisement

বিসিবির কোচ নিয়োগ পরীক্ষায় ভরাডুবি, ২১৮ জনে পাস মাত্র ২০

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
বিসিবির কোচ নিয়োগ পরীক্ষায় ভরাডুবি, ২১৮ জনে পাস মাত্র ২০
বিসিবি ভবন। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটারদের টেকনিক শোধরানোর দায়িত্ব যাঁদের হাতে উঠবে, তাদেরই বড় অংশ আটকে গেলেন বাছাই পরীক্ষার প্রথম দরজায়। দেশের জেলা ও মহানগর পর্যায়ে ৬১ জন কোচ নিয়োগ দিতে পরীক্ষা নিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আবেদনকারী ছিলেন ২১৮ জন। প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন মাত্র ২০ জন।

যদিও প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ ৩৮ জন হলেও তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জন নির্ধারিত শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করেননি বলে জানা গেছে। ফলে সব যাচাই শেষে নিয়োগের উপযুক্ত প্রার্থী ১৮ থেকে ২০ জনে নেমে আসতে পারেন। অর্থাৎ ৬১টি পদের এক-তৃতীয়াংশও প্রথম দফায় পূরণ হওয়ার নিশ্চয়তা নেই।

৫৯টি জেলা ও ঢাকা মহানগরের দুটি পদের জন্য ২২ থেকে ২৪ জুলাই লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষার পূর্ণমান ছিল ৪০

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষায় ১৮০ জনই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কয়েকজন আবেদনকারী প্রায় খালি উত্তরপত্র জমা দিয়েছেন। ব্যবহারিক পরীক্ষাতেও অনেকের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল না।

প্রার্থীদের জন্য প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা অথবা অন্তত লেভেল-১ কোচিং সনদ থাকার শর্ত দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হতো। কিন্তু ২১৮ আবেদনকারীর মধ্যে প্রাথমিক শর্ত পূরণ করেছিলেন মাত্র ৯০ জন। এরপরও সবাইকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় ও সুপারিশের অভিযোগও উঠেছে। তবে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সহসভাপতি সাকিফ আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ব্যাখ্যা, নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করা পর্যাপ্তসংখ্যক আবেদনকারী না থাকায় সবাইকে পরীক্ষায় ডাকা হয়েছিল।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সার্বিক মূল্যায়নে শেষ পর্যন্ত প্রায় ২০ জনকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।

প্রত্যাশিত মানের প্রার্থী না পাওয়ায় নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কথা ভাবছে বিসিবি। গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান ফাহিম সিনহার পরিকল্পনা, প্রথম পরীক্ষায় যারা যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন তাদের রাখা হবে। বাকি পদগুলোর জন্য কিছু শর্ত শিথিল করে আবার আবেদন নেওয়া হতে পারে। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্রিকেটীয় ও কারিগরি জ্ঞানকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।