তানজিদ-সৌম্যর ব্যাটে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
তানজিদ-সৌম্যর ব্যাটে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ
সৌম্য ও তানজিদ। ছবি: সংগৃহীত

প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ওয়ানডেতে তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকারের ১৫১ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল সফরকারীরা। শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের ১৯৯ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৩৬ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। তিন ম্যাচের সিরিজ জিম্বাবুয়ে জিতে নিয়েছে ২-১ ব্যবধানে।

টস জিতে বোলিং নেওয়া বাংলাদেশের শুরুটা করেন শরিফুল ইসলাম। তার বলে ব্যাটে লেগে ধীরে ধীরে স্টাম্পে গড়িয়ে যাওয়া বলে বোল্ড হন বেন কারান। পরের ওভারে ব্রায়ান বেনেটকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার ক্রেইগ আরভিন। ২৭ রানেই ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকেরা।

সেখান থেকে ইনোসেন্ট কাইয়াকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন ওয়েসলি মাধেভেরে। কাইয়া ২৫ রানে ফেরার পরও এক প্রান্ত ধরে রেখে ৭৪ বলে ৭৫ রান করেন মাধেভেরে। জিম্বাবুয়ে ১০৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারালেও ব্র্যাড ইভান্সের ৪৩ বলে ৫০ রানের ইনিংসে দুই শ ছোঁয়ার কাছাকাছি যায়। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকেরা।

১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন শরিফুল। চারটি মেডেনসহ তাসকিনের শিকার ২টি, খরচ করেন মাত্র ৩২ রান। তানভীর ইসলামও নেন ২ উইকেট।

লক্ষ্য তাড়ায় জিম্বাবুয়েকে কোনো সুযোগই দেননি তানজিদ ও সৌম্য। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১৫১ রান। ৮২ বলে ৬টি চার ও ২ ছক্কায় ৬৯ রান করে সৌম্য বোল্ড হলে ভাঙে জুটি।

সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন তানজিদ। তবে দলের জয় থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকতে বড় শট খেলতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন তিনি। ১০১ বলে ৮টি চার ও ৩ ছক্কায় করেন ৯৪ রান। একই ওভারে কোনো রান না করেই ফেরেন তাওহিদ হৃদয়।

শেষ পর্যন্ত নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন। আর্নেস্ট মাসুকুর ওয়াইডে আসে বাংলাদেশের জয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: জিম্বাবুয়ে ১৯৯/১০, ৪৮.১ ওভার। বাংলাদেশ ২০০/৩, ৩৬ ওভার। বাংলাদেশ ৭ উইকেটে জয়ী। সিরিজ: জিম্বাবুয়ে ২-১।