আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচে কাকে এগিয়ে রাখছে সুপারকম্পিউটার

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচে কাকে এগিয়ে রাখছে সুপারকম্পিউটার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডের চেয়ে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে আর্জেন্টিনা। অপটার সুপারকম্পিউটারের ২৫ হাজার ম্যাচ-পূর্ব সিমুলেশনে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদেরই পরিষ্কার ফেবারিট হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

অপটার হিসাবে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৫৭.৭ শতাংশ। সুইজারল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ১৮ শতাংশ এবং ম্যাচ ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ২৪.৩ শতাংশ।

অতিরিক্ত সময় ও সম্ভাব্য টাইব্রেকারসহ সেমিফাইনালে ওঠার সামগ্রিক হিসাবেও এগিয়ে লিওনেল স্কালোনির দল। আর্জেন্টিনার শেষ চারে যাওয়ার সম্ভাবনা ৭০.৫ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের ২৯.৫ শতাংশ। অর্থাৎ আর্জেন্টিনা বড় ফেবারিট হলেও সুইসদের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না সুপারকম্পিউটার।

পরিসংখ্যানও আর্জেন্টিনার পক্ষেই কথা বলছে। দুই দল সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সাতবার মুখোমুখি হয়েছে। আর্জেন্টিনা জিতেছে পাঁচটি, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র। সুইজারল্যান্ড এখনো আর্জেন্টিনাকে হারাতে পারেনি। বিশ্বকাপের দুই দেখাতেও জয় আলবিসেলেস্তেদের। ১৯৬৬ সালে ২-০ এবং ২০১৪ সালের শেষ ষোলোয় ১-০ গোলে জিতেছিল তারা।

চলতি বিশ্বকাপে অবশ্য আর্জেন্টিনাকে অজেয় মনে হয়নি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে জয়ের পর মিসরের বিপক্ষে শেষ ১২ মিনিটে দুই গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জিতেছে তারা। তারপরও বিশ্বকাপে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত স্কালোনির দল, যা প্রতিযোগিতাটিতে তাদের দীর্ঘতম ধারা। এই ১১ ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয় নয়টি, ড্র দুটি।

তবে তাদের রক্ষণে দুর্বলতার জায়গাও পেয়েছে অপটা। প্রতিপক্ষের মাত্র নয়টি শট লক্ষ্যে গেলেও পাঁচটিতেই গোল হজম করেছে আর্জেন্টিনা। এই জায়গাতেই সুযোগ দেখছে সুইজারল্যান্ড।

মুরাত ইয়াকিনের দল ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাই ও মূল পর্ব মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচের কোনো সময় পিছিয়ে পড়েনি। শেষ ষোলোয় কলম্বিয়াকে ১২০ মিনিট গোল করতে না দিয়ে টাইব্রেকারে হারিয়েছে তারা। ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলটির জন্য বড় ধাক্কা অবশ্য ইয়োহান মানজাম্বির অনুপস্থিতি। তিন গোল ও দুই সহায়তা করা সুইসদের সর্বোচ্চ গোলদাতা হাঁটুর চোটে খেলতে পারবেন না।

কানসাস সিটিতে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রোববার সকাল ৭টায়। বিজয়ী দল সেমিফাইনালে নরওয়ে অথবা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।