সিরিজ বাঁচাতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৪৮ রান

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
সিরিজ বাঁচাতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৪৮ রান
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ছবি: সংগৃহীত

শুরুটা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু শেষটা নিজেদের করে নিল জিম্বাবুয়ে। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজ বাঁচানোর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিকরা।

টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করতে দেরি করেননি পেসাররা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে শূন্য রানে ফেরান তাসকিন আহমেদ। নিজের পরের ওভারেই ইনোসেন্ট কাইয়াকে ৪ রানে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৮ রানে ২ উইকেটে নামিয়ে আনেন তিনি।

এরপর নাহিদ রানার গতিতে বোল্ড হন ক্রেইগ আরভিন। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ওয়েসলি মাধেভেরে ১৫ রান করে মিরাজের শিকার হলে স্কোর দাঁড়ায় ৬৬ রানে ৪ উইকেট। তখন মনে হচ্ছিল, প্রথম ওয়ানডের মতোই আবার জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংকে দ্রুত চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ।

কিন্তু এক প্রান্ত ধরে রাখেন বেন কারান। সিকান্দার রাজার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৬৮ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে বিপদ থেকে টেনে তোলেন তিনি। রাজা ৫৩ বলে ৩৩ রান করে ফিরলেও কারান থামেননি। পরে ব্র্যাড ইভান্সকে সঙ্গে নিয়ে সপ্তম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৯৯ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন।

কারান ১৩৫ বলে ৯ চারে অপরাজিত থাকেন ১১১ রানে। শেষ দিকে ঝড় তোলেন ইভান্স। ৩৮ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় অপরাজিত ৫৮ রান করেন তিনি। শেষ ৭ ওভারে জিম্বাবুয়ে তোলে ৬৭ রান। শেষ ওভারেই আসে ২২ রান, যা স্বাগতিকদের স্কোর ২৪৭ পর্যন্ত নিয়ে যায়।

বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। মিরাজ ছিলেন সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত বোলার, ১০ ওভারে ৩২ রান দিয়ে তাঁর শিকার ২ উইকেট। নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন নেন ১টি করে উইকেট। শরিফুল ইসলাম ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন।

সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচ বাঁচা-মরার। লক্ষ্য নাগালের মধ্যেই, তবে হারারের উইকেটে নতুন বলে পেসারদের জন্য সহায়তা থাকায় রান তাড়াটা সহজ হবে না। সিরিজে ফিরতে হলে বাংলাদেশের টপ অর্ডারকে এবার দায়িত্ব নিতে হবে।