মাত্র এক গোল খেয়ে ফাইনালে স্পেন, সামনে বিশ্ব রেকর্ড

সাত ম্যাচে স্পেনের জালে বল পাঠাতে পেরেছে মাত্র একটি দল। ছয় ম্যাচে উনাই সিমোনের গোল অক্ষত রেখে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। এবার শিরোপা জয়ের সঙ্গে বিশ্বকাপের নতুন রেকর্ড গড়ার সুযোগও তাদের সামনে।
ডালাসে সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেদের মতো আক্রমণভাগকে আটকে দিয়ে এবারের আসরে নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে জাল অক্ষত রাখে তারা।
স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পেরেছে শুধু বেলজিয়াম। কোয়ার্টার ফাইনালের ৪১ মিনিটে চার্লস দে কেতেলার গোলটি না হলে এখন পর্যন্ত নিখুঁত থাকত স্প্যানিশদের রক্ষণ। সেই ম্যাচও ২-১ ব্যবধানে জিতে শেষ চারে উঠেছিল তারা।
বেলজিয়ামের ওই গোলেই শেষ হয়েছিল বিশ্বকাপে উনাই সিমোনের টানা ৬৪৯ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ড। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকে শুরু হওয়া সেই যাত্রায় টানা ছয় ম্যাচে জাল অক্ষত রেখেছিলেন স্পেনের গোলরক্ষক।
তবে এই সাফল্য শুধু সিমোনের নয়। পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, আয়মেরিক লাপোর্ত ও মার্ক কুকুরেয়াদের রক্ষণকে বাড়তি নিরাপত্তা দিয়েছেন রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইস। প্রতিপক্ষের আক্রমণ তৈরির শুরুতেই চাপ দিচ্ছেন লামিন ইয়ামাল, মিকেল ওইয়ারসাবাল ও অ্যালেক্স বায়েনারাও। ফলে সাত ম্যাচে মাত্র একবার স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পেরেছে প্রতিপক্ষ।
বিশ্বকাপজয়ী কোনো দল এখন পর্যন্ত পুরো প্রতিযোগিতায় দুটির কম গোল হজম করতে পারেনি। ফ্রান্স ১৯৯৮, ইতালি ২০০৬ এবং স্পেন ২০১০ বিশ্বকাপ জিতেছিল দুটি করে গোল হজম করে। এবার ফাইনালে নিজেদের জাল অক্ষত রেখে চ্যাম্পিয়ন হলে এক গোল হজম করেই শিরোপা জয়ের নতুন রেকর্ড গড়বে স্পেন।
এক গোল হজম করে ফাইনালে ওঠার ঘটনা অবশ্য আগেও ঘটেছে। উরুগুয়ে ১৯৩০, ইংল্যান্ড ১৯৬৬, নেদারল্যান্ডস ১৯৭৪, জার্মানি ২০০২ ও ইতালি ২০০৬ সালে একই কীর্তি গড়েছিল। তাদের মধ্যে উরুগুয়ে, ইংল্যান্ড ও ইতালি শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হলেও ফাইনালে প্রত্যেকেই অন্তত একটি গোল হজম করেছিল।
- স্পেন ০-০ কেপ ভার্দে
- স্পেন ৪-০ সৌদি আরব
- উরুগুয়ে ০-১ স্পেন
- স্পেন ৩-০ অস্ট্রিয়া
- পর্তুগাল ০-১ স্পেন
- স্পেন ২-১ বেলজিয়াম
- ফ্রান্স ০-২ স্পেন





