খামেনির জানাজায় অংশ নিয়েছে ৪ কোটির বেশি মানুষ: ইরান

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছয় দিনব্যাপী জানাজায় প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরান। এত বিশাল জনসমুদ্রের কারণে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এই আয়োজনকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় শোকমিছিল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
খামেনির বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত এই বিশাল জানাজা ও শোকানুষ্ঠান মূলত পাঁচটি শহরে অনুষ্ঠিত হয়। শহরগুলো হলো—তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা এবং মাশহাদ।
শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের বিখ্যাত গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে উন্মুক্ত জানাজার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সেখানে খামেনির কফিন রাখা হয়েছিল এবং হাজার হাজার সাধারণ ইরানি তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জড়ো হন।
এই ঐতিহাসিক শোকানুষ্ঠানে ইরানের আঞ্চলিক মিত্র সংগঠনগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে গাজার হামাস ও ইসলামিক জিহাদ, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি প্রতিনিধি দল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার শুরুতে তেহরানে নিজ বাসভবনে খামেনি নিহত হন। ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার জন্মভূমি ও শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র নগরী মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। এর আগে ইরাক থেকে উড়োজাহাজে করে তার মরদেহ মাশহাদে আনা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, দুপুরের পর থেকেই মাশহাদ শহরের সব প্রধান সড়ক ও গলিপথ সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে ভরে ওঠে। একটি সুসজ্জিত ট্রাকে করে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার কফিনটি ভিড়ে ঠাসা রাস্তা দিয়ে ধীরগতিতে পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।





