যবিপ্রবি ছাত্রী হলে নিম্নমানের খাবারের মিল খেলেই সিট বাতিলের হুমকি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) মেয়েদের তাপসী রাবেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে ডাইনিংয়ের নির্ধারিত মিলের টাকা পরিশোধ না করলে তাদের জরিমানার করা হবে। পাশাপাশি টানা তিন মাস মিলের টাকা পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে হল প্রশাসন।
এ ছাড়া জুলাই মাস থেকে ন্যূনতম ২৫টি টোকেন বাধ্যতামূলক করেছে হল প্রশাসন, যার মূল্য ১ হাজার টাকা।
রোববার (২৬ জুলাই) হল প্রভোস্ট স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যবিপ্রবিতে মেয়েদের তাপসী রাবেয়া হলের ডাইনিং ব্যবস্থায় রয়েছে নানা অনিয়ম। এ ছাড়া খাবারের মান ও খাবার পরিবেশনকারীদের আচরণও সন্তোষজনক নয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক ছাত্রীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এআইএস) বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, পড়াশোনা ও পরীক্ষার চাপ সামলাতে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খুবই প্রয়োজন। আমাদের হলের খাবারের মান সন্তোষজনক নয়। অনেক সময় আলু আধাসিদ্ধ থাকে। আগামী মাস থেকে মিলের মূল্য বাড়ানো হচ্ছে, কিন্তু খাবারের মান উন্নয়নের কোনো নিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, সময়মতো খাবার পরিবেশন না করা। পরীক্ষার সময় নির্ধারিত সময়ে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় খাবার প্রস্তুত থাকলেও দেওয়া হয়। এসব খাবার খেয়ে আমি অসুস্থও হয়েছিলাম।
এ বিষয়ে তাপসী রাবেয়া হলের প্রভোস্ট ড. নাজনীন নাহার এশিয়া পোস্টকে বলেন, হলে বিভিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীরা থাকেন। সবার খাবারের স্বাদ বা পছন্দ এক হবে না, এটাই স্বাভাবিক। তারপরও আমি সবসময় চেষ্টা করি রাঁধুনি ও ডাইনিং ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের তদারকিতে রাখতে, যাতে খাবারের মান ভালো থাকে এবং শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট হন।
.png)






