‘মানুষ বৃদ্ধ বয়সে শিশুসুলভ হয়ে যায়’ এমন বক্তব্য দেননি মারদিয়া মমতাজ

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম ও এক নারীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এমন প্রেক্ষাপটে দলটির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন দাবিতে একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হচ্ছে।
তবে এশিয়া পোস্ট যাচাই করে এর সত্যতা পায়নি। এ ধরনের কোনো বক্তব্য তিনি দেননি।
আলোচিত ফটোকার্ডটিতে তার বক্তব্য হিসেবে লিখা হয়েছে, ‘মানুষ বৃদ্ধ বয়সে শিশুসুলভ হয়ে যায়। আপনারা একটা শিশুসুলভ প্রেমকে নারী কেলেঙ্কারি কেন বলছেন? উনি জামায়াতের এমপি এজন্য?’ এ সম্পর্কিত পোস্ট গুলোতে বক্তব্যটি বিশ্বাস করে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে নেটিজেনদের অনেককেই। যেমন : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল নামে একটি গ্রুপে ফটোকার্ডটি পোস্ট করা হলে সেখানে মো. বেলায়েত হোসেন ভুঁইয়া নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘উনারা নাজাযেজ সকল কিছুকেই উনাদের পখ্যে নেওয়ার জন্য সুন্দর করে জাযেজ করে ফতুয়া দিতে পারেন’।
তবে এ সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ড সার্চ করে দেশের প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম গুলোতে এধরনের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মারদিয়া মমতাজের প্রোফাইলে ফটোকার্ডগুলো যুক্ত করে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। এতে ছবিগুলো যুক্ত করে তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে যারা ন্যুনতম জানেন, তারা বুঝেছেন এগুলো আমি বলি নাই। নারীদেরকে রাজনৈতিক ভাবে আক্রমণ করবেন, আবার খোঁটা দেবেন কেন নারীরা পথে নাই। এই দ্বিচারিতা আপনাদেরকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? একসময় আপনার দলের মহিলারাও এসবের শিকার হবেন। এই যে যাদের দিয়ে আমাকে আক্রমণ করাচ্ছেন, তাদেরকে দিয়েই। বিরোধী দল লাগবে না।’
অর্থাৎ, জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারদিয়া মমতাজ ‘মানুষ বৃদ্ধ বয়সে শিশুসুলভ হয়ে যায়। আপনারা একটা শিশুসুলভ প্রেমকে নারী কেলেঙ্কারি কেন বলছেন? উনি জামায়াতের এমপি এজন্য?’ এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি।
.png)





