
জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক প্রভাব কমানো এবং দলটিকে চাপে রাখতে বিএনপির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ছে হেফাজতে ইসলাম। একই সঙ্গে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা করছে সংগঠনটি। জামায়াতের কিছু আকিদা বা বিশ্বাস ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক—এমন দাবিতে নানা

ঘর আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য বিশেষ নেয়ামত। মানুষের শান্তির আলয়। নিরাপদে থাকার জায়গা। ঘর না থাকলে মানুষের আর ফেরার জায়গা থাকে না। এই ঘরেই মানুষ তার একান্ত জীবনটি যাপন করেন। এই যাপন নির্বিঘ্ন ও নিরুপদ্রব করতে ইসলাম কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ঘরে প্রবেশের আগে ঘরের মালিককে জানাতে হবে। ঘরের মা

ইউসুফ (আ.) ছিলেন নবী ইয়াকুব (আ.)-এর প্রিয় ছেলে। তার নামে কোরআনে স্বতন্ত্র একটি সুরা আছে। সেখানে তাঁর জীবনকথার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। তাঁরা ছিলেন ১২ ভাই। ইয়াকুব (আ.)-এর ১২ ছেলের মধ্যে প্রথম ১০ ছেলে প্রথম স্ত্রী লাইয়া বিনতে লাইয়ানের ঘরে জন্মলাভ করেন। তিনি মৃত্যুবরণ করলে তাঁর বোন রাহিলকে বিয়ে ক

মানুষ একটা আশ্চর্য ব্যাপার। সে ধ্বংস হতে চায় না। নিজেকে সে ধ্বংস করে না। বেঁচে থাকার আজন্ম তৃষ্ণায় সে জীবন এবং পৃথিবীর সঙ্গে সংগ্রাম করে অবিরাম। জীবনের তাগিদে এ দেশে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল যুদ্ধে। কবি ও লেখকরা নেমেছিলেন কলমযুদ্ধে। শব্দ, বাক্য এবং মননশ

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর বাইরে ভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ধর্মীয় বিষয়সহ নানা ইস্যুতে রাজপথে একসঙ্গে থাকলেও সহসাই জোটবদ্ধ হওয়ার লক্ষণ মিলছে না। দলগুলোর একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে

দ্বিতীয় মানবসভ্যতার নবী নুহ (আ.)-এর ছেলে সাম। হজরত সালেহ (আ.) ছিলেন সামের বংশধর। তিনি সামুদ জাতির নবী। হিজাজ ও সিরিয়ার মধ্যস্থলে অবস্থিত ওয়াদিউল কোরা প্রান্তরে ছিল তাদের বসতি, বর্তমানে লোকে যাকে চেনে ‘ফাজ্জুহ নাকাহ’ বা ‘মাদায়েনে সালেহ’ নামে। আরবের বিখ্যাত ঐতিহাসিক মাসউদি বলেন, ‘সিরিয়া থেকে হিজা

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে ভাঙনের সুর স্পষ্ট হচ্ছে। কিছুদিন আগেই কওমি ঘরানার দলগুলোকে এই জোট থেকে বের করার উদ্যোগ নেয় হেফাজতে ইসলাম। এজন্য কওমি ঘরানার সাত ইসলামি দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন সংগঠনটির আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এর মধ্যে ১১ দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে

আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে প্রতিনিধি পাঠানোর চিন্তা থেকে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন। আদম হিব্রু শব্দ, অর্থ মানুষ। আদম (আ.) সৃষ্টির প্রথম মানুষ। তার বসবাস ছিল জান্নাতে। যেখানে অশান্তি নেই, অভাব-অনটন নেই, দুশ্চিন্তা নেই। চারপাশে আছে অগণিত নেয়ামত। হরেক স্বাদের খাবার ও ফলমূল। নানা রঙের ফুল। চাইলেই সবকিছু পাওয

কওমি ধারার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল ভবিষ্যতে একসঙ্গে চলার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। দলগুলোকে এক ছাতার নিচে আনার উদ্যোগ নিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। হেফাজতের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত নতুন একটি রাজনৈতিক জোটে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে স

আল্লাহ তাআলা মানুষ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিলেন। পৃথিবীতে মানুষকে আল্লাহর প্রতিনিধি বানানোর ফায়সালা করলেন। ফেরেশতাদের জানালেন বিষয়টি। তারা বললেন, আমরা তো আপনার প্রশংসা করছি। মানুষ পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা করবে। এর আগে যেমন জিনরা বিশৃঙ্খলা করেছিল। মানুষ সৃষ্টির দুই হাজার বছর আগে পৃথিবীতে জিন জাতির বসবাস ছিল

সম্প্রতি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কালেমাখচিত পতাকা প্রদর্শন এবং তা নিয়ে শোডাউনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে এক ধরনের কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারে একদল যুবককে এই পতাকা টাঙাতে দেখা যায়। পরবর্তীতে তা সরিয়ে ফেলা হলেও দেশের বিভিন্ন মহা

মক্কা বিজয়ের ফলে ইতিহাসের গতি বদলে যায়। লোকজন দলে দলে ইসলামের ছায়ায় আশ্রয় নিতে শুরু করেন। এদিকে মুতার প্রান্তরে রোমানদের সঙ্গে মুসলমানদের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে মুসলমানদের বিজয় আরব ও এর আশপাশে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। আরবের বিভিন্ন গোত্রের মাঝে রোমানদের শোষণ থেকে মুক্তির চেতনা ছড়িয়

লুত (আ.) ছিলেন ইবরাহিম (আ.)-এর ভাতিজা। তাঁর পিতার নাম হারান। তিনি শৈশবে ইবরাহিম (আ.)-এর সঙ্গে থাকতেন। ইবরাহিম (আ.)-এর ধর্ম বিশ্বাস করতেন। তাঁর সঙ্গ নিয়ে মাতৃভূমি বাবেল ছেড়ে চলে যান একদিন। ইবরাহিম (আ.)-এর প্রতিটি হিজরতের সফরে লুত (আ.) সঙ্গে ছিলেন। সর্বশেষ মিসরেও ছিলেন। এর মধ্যে নবুওয়াত পেলেন লুত (

সন্তানের জন্য বাবার হৃদয়ে আছে অফুরন্ত শুভকামনা। আছে সঞ্চিত দয়ার ভাণ্ডার। বাবা নির্ভয় ও নির্ভরতার আশ্রয়স্থল। বাবার ছায়ার মতো এত পবিত্র, বিশ্বাসী ছায়া পৃথিবীতে নেই। এ ছায়ায় কোনো কলুষতা নেই। স্বার্থ নেই। ভয় নেই। দ্বান্দ্বিকতা নেই। এ ছায়া ভালোবাসার। মায়ার। ভরসার। সৌভাগ্যের। কল্যাণ ও প্রার্থনা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি স্থাপন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান ঘিরে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজপথে। মূর্তি স্থাপনের পক্ষে-বিপক্ষে কর্মসূচিও পালিত হচ্ছে। এমনই এক কর্মসূচীতে হিন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ গঠনের হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী নামে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীব

রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধির বুনিয়াদ নির্ভর করে অর্থনীতির উন্নয়নের ওপর। বিশ্ববাসীর কল্যাণ ও সমৃদ্ধির কথা চিন্তা করে মদিনায় গিয়ে হজরত মুহাম্মদ (সা.) অর্থনীতিতে দেন এক দিগন্তকারী নতুন কর্মসূচি। সে কর্মসূচির আলোকে মদিনা শহর অর্থনীতিতে বুকটান দিয়ে পৃথিবী পাড়ায় সগৌরবে উঠে দাঁড়ায়। তাঁর কর্মসূচ